1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আল আমিন
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ০ সময়

আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আল আমিন

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচন–২০২৫ ঘিরে একাধিক অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে।

২১ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিঃ তারিখে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ লিয়াকত আলী খান স্বাক্ষরিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র বিতরণ ও গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬, ২৭ ও ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত এবং যাচাই-বাছাই ও বৈধ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩০ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে।

তবে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, একজন শিক্ষার্থী একই সঙ্গে কিশোরগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি রয়েছে। অথচ ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবক আনোয়ার হোসেন অভিভাবক সদস্য পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি জানার পরও নিয়ম বহির্ভূতভাবে তার কাছে ফরম বিক্রি করেছেন, যা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়াও সম্প্রতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিক নিয়মবহির্ভূতভাবে পাঁচজন শিক্ষককে অব্যাহতি দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, যা শিক্ষা প্রশাসনিক বিধিমালা অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ।

এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিক বলেন, “আমি বিষয়টি সম্পর্কে জেনেছি। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক ও স্থানীয় অভিভাবকবৃন্দ জেলা শিক্ষা অফিস, জেলা প্রশাসক (ডিসি) অফিস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ লিয়াকত আলী খান বলেন, “বিদ্যালয়ের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা জানিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, যার ফলে বিদ্যালয়ের সুশাসন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সচেতন মহলের আশঙ্কা, এমন অনিয়ম অব্যাহত থাকলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd