1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ৫ দফা দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্নারক লিপি প্রদান।

শফিকুল বারী সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩ সময়

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর ৫ দফা দাবিতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্নারক লিপি প্রদান।

শফিকুল বারী সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

​ আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটের আয়োজন এবং স্বৈরাচারের দোসর রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধসহ মোট ৫ দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। রবিবার (১২ অক্টোবর) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ,সুনামগঞ্জ জেলা শাখা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক ড.ইলিয়াস মিয়া এর নিকট প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে এই স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করে। ​জেলা সভাপতি মুফতি শহীদুল ইসলাম পলাশী এর নেতৃত্বে স্মারকলিপি হস্তান্তরকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পৌর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব রহমতুল্লাহ,ইসলামী আন্দোলনের নেতা জনাব আব্দুল গফুর, ফয়েজ উল্লাহ ফয়েজ,জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি হাফিজ মাছুম আহমদ সহ দলের নেতৃবৃন্দ।​স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জুলাই জাতীয় ঘোষণাপত্র ও সনদ প্রণয়ন করলেও এখনো সেটিকে আইনগত ভিত্তি দেওয়া হয়নি। এতে অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য ব্যর্থ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ​ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, জুলাই জাতীয় সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান ছাড়া ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত অভ্যুত্থানের চেতনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। তাই অবিলম্বে সংবিধান আদেশ জারির মাধ্যমে সনদ বাস্তবায়ন এবং আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পূর্বে গণভোট আয়োজনের জোর আহ্বান জানানো হয়।
​এছাড়া, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে কালো টাকা, পেশিশক্তি ও জাল ভোটের মতো অপতৎপরতা রোধে আগামী জাতীয় নির্বাচন পিআর (Proportional Representation) পদ্ধতিতে আয়োজনের দাবি জানিয়েছে দলটি। তাদের যুক্তি, এই পদ্ধতিতে প্রতিটি ভোটের সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব হবে এবং যোগ্য প্রার্থীরা সংসদে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।
​স্মারকলিপিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৫ দফা দাবিসমূহ হলো:
১. আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও উক্ত আদেশের উপর গণভোট আয়োজন।
২. জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি (Proportional Representation) চালু করা।
৩. অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
৪. ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা।
৫. স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা।
​ইসলামী আন্দোলন নেতারা বলেন, এই দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন একটি গ্রহণযোগ্য পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd