1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন

ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিঃ এর উদ্যোগে ‘পিঠা উৎসব-২৬’ অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ০ সময়

ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিঃ এর উদ্যোগে ‘পিঠা উৎসব-২৬’ অনুষ্ঠিত

 

 

বিশেষ প্রতিনিধি:

বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর স্বাদের এক অনন্য পরিচয়

-পিঠা। শীতের শেষে বসন্তের ছোঁয়ায় সেই পিঠাকে ঘিরেই ঢাকায় অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী আয়োজন-“পিঠা উৎসব-২৬”। ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এই বর্ণিল উৎসবটি আজ ফেব্রুয়ারি মাসে রাজধানীর কাকরাইলস্থ আইডিইবি হল (সোশাল গার্ডেন-৫০১)-এ অনুষ্ঠিত হয়।

সংস্কৃতিপ্রেমী, রসনাবিলাসী ও ঐতিহ্য অনুরাগীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে উৎসবটি হয়ে ওঠে এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা পিঠা সংস্কৃতিকে শহুরে জীবনে নতুন করে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয় বলে আয়োজকরা জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মাসুদ সাঈদী, চেয়ারম্যান, ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড। তিনি তাঁর বক্তব্যে দেশীয় সংস্কৃতি সংরক্ষণ, পারিবারিক ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখা এবং কর্পোরেট উদ্যোগে সামাজিক দায়বদ্ধতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব ডি. এম. এমদাদুল হক, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড। তিনি পিঠা উৎসবের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্য, আধুনিক জীবনে হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তা এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংস্কৃতি লালনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

উৎসবে ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, দুধচিতই, পুলি পিঠাসহ নানা রকম দেশীয় পিঠার সমাহার ছিল। পাশাপাশি বসন্ত ও লোকজ সংস্কৃতিকে ঘিরে ছিল রঙিন সাজসজ্জা, আলপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ, যা দর্শনার্থীদের একদিনের জন্য হলেও ফিরিয়ে নেয় গ্রামবাংলার আবহে।

অনুষ্ঠানে কোম্পানির এমডি জনাব ডি. এম. এমদাদুল হক তাঁর বক্তব্যে কুয়াকাটায় গড়ে ওঠা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট-এর কার্যক্রমকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে নিরলসভাবে কাজ করা সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, “আমাদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে টিমওয়ার্ক, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ।”

তিনি আরও জানান, আগামী দিনগুলোতে হোটেল ও রিসোর্টের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও প্রণোদনামূলক পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে কর্মীদের মাঝে উদ্যম, দায়িত্ববোধ ও সৃজনশীলতা আরও বৃদ্ধি পায়।

সব মিলিয়ে, পিঠা উৎসব–২৬ হয়ে উঠেছে ঐতিহ্য, স্বাদ, সংস্কৃতি ও কর্পোরেট দায়বদ্ধতার এক অনন্য মিলনমেলা, যেখানে পিঠার স্বাদে, বসন্তের রঙে আর লোকজ আবহে মুখরিত হয়ে উঠেছিল পুরো অনুষ্ঠানস্থল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd