নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও স্বাধীন তদন্তের দাবিতে- উত্তাল বিক্ষোভের জনসমুদ্র ইসরায়েল তেল আবিব।
প্রধান বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক- জাহারুল ইসলাম জীবন এর ইসরায়েল পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষ নিউজ প্রতিবেদন।
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অস্থিরতা আর অভ্যন্তরীণ ক্ষোভের মুখে আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ এবং গত ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতার জন্য স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের দাবিতে রাজধানী তেল আবিবের রাস্তায় নেমেছেন লাখো মানুষ। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতভর চলা এই বিক্ষোভে কার্যত অচল হয়ে পড়ে নগরীর প্রধান সড়কগুলো।
বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রবিন্দু: কেন এই গণবিস্ফোরণ?- ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের প্রধান ক্ষোভ মূলত দুটি বিষয়কে কেন্দ্র করে:-
**১. অক্টোবর ট্র্যাজেডির তদন্ত: ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন অভিযানের সময় গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ব্যর্থতার জন্য সরাসরি সরকারকে দায়ী করছেন সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা গাফিলতি খতিয়ে দেখতে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে।
**২. জিম্মিদের মুক্তি ও মরদেহ ফেরত:- গাজায় এখনও আটকে থাকা ইসরায়েলি জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে সরকারের "ব্যর্থতা" নিয়ে জনমনে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিশেষ করে, হামাসের হাতে থাকা শেষ ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ সম্মানের সাথে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে রাজপথে সরব হয়েছেন নিহতের স্বজন ও সাধারণ নাগরিকরা।
আন্দোলনের বৈচিত্র্য ও প্রতিবাদের ভাষা:- বিক্ষোভের চিত্র ছিল অত্যন্ত আবেগঘন এবং প্রতীকী। আন্দোলনকারীদের অনেকেই শরীরে ইসরায়েলের জাতীয় পতাকা জড়িয়ে প্রতিবাদ জানান। অনেক বিক্ষোভকারীকে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ব্যঙ্গাত্মক মুখোশ পরে মিছিলে অংশ নিতে দেখা যায়, যা সরকারের প্রতি তাদের তীব্র অনাস্থারই বহিঃপ্রকাশ।
বিক্ষোভস্থলে স্লোগান ওঠে- "এখনই সময় জবাবদিহিতার", "নেতানিয়াহু, পদত্যাগ করুন"। এছাড়া গাজা যুদ্ধের দীর্ঘসূত্রিতা এবং অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতাও সাধারণ মানুষকে এই আন্দোলনে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
রাজনৈতিক চাপ ও বর্তমান প্রেক্ষাপট্:- বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহু সরকার বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। একদিকে আন্তর্জাতিক মহলের যুদ্ধবিরতির চাপ, অন্যদিকে দেশের ভেতরে নিজের জনপ্রিয়তা হারানো- সব মিলিয়ে দিশেহারা অবস্থায় রয়েছে বর্তমান প্রশাসন। ৭-ই অক্টোবরের হামাসের সেই অভিযানকে ইসরায়েলের ইতিহাসে অন্যতম বড় নিরাপত্তা বিপর্যয় হিসেবে দেখা হয়, যার দায়ভার সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে নিতে হবে বলে মনে করেন আন্দোলনকারীরা।
**এক নজরে বিক্ষোভের দাবিগুলো:-
*১. স্বাধীন তদন্ত কমিশন।
*২. ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতা নিরসন করা।
*৩. নেতানিয়াহুর পদত্যাগ।
*৪. সরকারের প্রতি জনগণের আস্থার সংকট।
*৫. জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা।
*৬. গাজায় আটকে পড়া নাগরিকদের উদ্ধার ও শেষ মরদেহ ফেরত।
পরিস্থিতির বাস্তবতায়, ইসরায়েলের এই গণবিক্ষোভ কেবল তেল আবিবেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং হাইফা এবং জেরুজালেমের মতো বড় শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ মানুষের এই 'জনজোয়ার' নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে কোন দিকে নিয়ে যায়, এখন সেটি-ই দেখার বিষয়।
প্রধান উপদেষ্টা :সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ মনিরুজ্জামান, উপদেষ্টা :এস এম আজিজুর রহমান স্বপন, প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ শাহীন, সহযোগি সম্পাদক : মোসা: শেখ মাজেদা, নির্বাহী সম্পাদক : ফাতেমা বেগম, সম্পাদক শেখ জান্নাতুল ফেরদাউস,সম্পাদক : শেখ শারফিয়া মরিয়ম,সম্পাদক এ্যাড:ফারুক হোসেন,প্রকাশক ও প্রধান বার্তা সম্পাদক :জাহারুল ইসলাম জীবন, বার্তা সম্পাদক - আশিষ সাহা, বার্তা সম্পাদক অমিত তালুকদার,বার্তা সম্পাদক গাজী মনিরুজ্জামান মনি,প্রবাসী সম্পাদক :মোঃ সেলিম রানা,হেড অফ মার্কেটিং মোঃ মামুন মোল্লা,অফিস সম্পাদক মোঃ রোমেল হোসেন।
অফিস ঠিকানা:কর্পোরেট অফিস :৫৫/বি নোয়াখালী টাওয়ার লিফটের ১৬ রুম নং ১৬/২ ঢাকা-১০০০ আঞ্চলিক অফিস :ডাকবাংলা মোড় আকাঙ্ক্ষা টাওয়ার লিফটের ৫ রুম নং ৫/বি২ খুলনা মোবাইল নাম্বার: অফিস 01911223672, প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক 01811441416, বার্তা সম্পাদক-01974580945
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক ঢাকার সময় । Website: www.thedhakersomoy.com