1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

ফের শৈত্যপ্রবাহের কবলে চুয়াডাঙ্গা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ০ সময়

 

 

ফের শৈত্যপ্রবাহের কবলে চুয়াডাঙ্গা

কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে দিনমজুর শ্রমিকরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

 

একদিনের বিরতি দিয়ে ফের চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শীতের তীব্রতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। অনুভূত হচ্ছে কনকনে ঠান্ডা। উত্তর থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশায় জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

 

 

দুদিনেও দেখা মেলেনি সূর্যের। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও খেটে খাওয়া মানুষেরা। ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহন চলাচলেও ব্যাঘাত ঘটছে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

 

এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ। এর আগে টানা চারদিন এ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। একদিন বিরতি দিয়ে আবারও শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে এ জেলা।

চুয়াডাঙ্গা শহর ঘুরে দেখা গেছে, ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

 

কোথাও কোথাও বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। ঝুঁকি এড়াতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষ। অনেককে খোলা জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। গ্রাম থেকে শহরে এসে কাজের সন্ধানে কাজ না পেয়ে বাড়ি ফিরে গেছে দিনমজুর শ্রমিকরা।

 

শৈত্যপ্রবাহের সাথে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার কারণে চুয়াডাঙ্গার জনজীবনে শীতজনিত দুর্ভোগ এখনও অব্যাহত রয়েছে। ফলে শীতের দাপট বেড়েছে কয়েকগুণ।

বেলগাছি গ্রামের কৃষিশ্রমিক আবদুল হান্নান বলেন, ‘ভোরে মাঠে নামতেই খুব কষ্ট হচ্ছে। ঠান্ডায় হাত ঠিকমতো চলে না। বাতাস থাকায় শীত আরও বেশি লাগছে। তারপরও কাজ না করলে চলবে না।’

 

আরেক দিনমজুর ইকতিয়ার উদ্দীন বলেন, ‘সকাল বেলা কুয়াশা এত ঘন থাকে যে কিছুই দেখা যায় না। তবুও জীবিকার তাগিদে বের হতে হচ্ছে। শীতকে উপেক্ষা করে কাজ করতে হচ্ছে মাঠে। কনকনে ঠাণ্ডায় কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে।’

 

চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, এর আগে টানা চারদিন মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। চলতি সপ্তাহে আবার নতুন করে শৈত্যপ্রবাহের পূর্বাভাস রয়েছে। আগামী কয়েকদিনে শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করতে পারে। এ সময়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে সাড়ে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। তবে সূর্যের দেখা মিলবে।

 

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, আমরা রাতের অন্ধকারে ঘুরে ঘুরে অসহায়, ছিন্নমূল মানুষদের মাঝে কম্বল বিতরণ অব্যাহত রেখেছি। ইতিমধ্যে অন্তত ১৮ হাজারের মতো কম্বল বিতরণ করেছি। আবার সরকারিভাবে আরো ৩ হাজার কম্বল পেয়েছি। সেই সাথে চারটি উপজেলায় আমরা ১৮ লাখ টাকা মতো পেয়েছি। এই টাকাগুলো দিয়ে কম্বল কেনার প্রক্রিয়া চলমান আছে। এর বাইরে বেসরকারিভাবে সহযোগিতা পাচ্ছি। ফলে এই শীতে কেউ যেন কষ্ট না পায়, সেজন্য কম্বল বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd