মাগুরা শহরের প্রবেশ মুখে ফোরলেনে রাস্তার ঝুঁকিতে পারনান্দুয়ালী ব্যাপারি পাড়া মসজিদ এলাকা গতি নিয়ন্ত্রণহীন চলাচল করছে যানবাহন।
নিজস্ব প্রতিনিধি
খন্দকার নজরুল ইসলাম মিলন
মাগুরা শহরের ভেতর দিয়ে চলাচলকারী মহাসড়কের ফোর লেন অংশে গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় শহরে ঢুকতেই পারনান্দুয়ালী ব্যাপারী পাড়া জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকা এখন এক নীরব ঝুঁকির কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচলের এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্পিড ব্রেকার না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে স্থানীয়দের মধ্যে।
এলাকাটি মূলত একটি ব্যস্ত চৌরাস্তা সংযোগস্থল, যেখানে ফোর লেনের মুখেই একাধিক সড়ক এসে মিলিত হয়েছে। এই সংযোগস্থলের এক পাশে রয়েছে মহম্মদপুর উপজেলায় যাতায়াতের রাস্তা ও অন্যান্য এলাকার মধ্যে যাতায়াতের আরেকটি রাস্তা, দুটি রাস্তায় করলেন থেকে দুদিকে গুরুত্বপূর্ণ, ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শিক্ষার্থী, রোগী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের অবিরাম যাতায়াত লেগেই থাকে।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিগণ রাস্তা পার হয়ে মসজিদে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তার এপাশ থেকে ওপাশে যাতায়াত করে, সেই কারণে এলাকাটির গুরুত্ব আরও বেড়েছে। যা এলাকাটিকে সার্বক্ষণিকভাবে জনবহুল করে তুলেছে।
কিন্তু এত গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় বর্তমানে কোনো স্পিড ব্রেকার (বিট) না থাকায় হাইওয়ে থেকে আসা যানবাহন উচ্চগতিতে আসা-যাওয়া করছে। বিশেষ করে ফোর লেনের সরাসরি মুখ হওয়ায় যানবাহনের গতি অনেক বেশি থাকে, যা পথচারীদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকিজনক তৈরি করছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতোমধ্যে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এবং বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসীরা,
জানা গেছে, সড়ক সংস্কারের সময় পূর্বে স্থাপিত স্পিড ব্রেকারগুলো তুলে ফেলা হয়। তবে দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও পুনঃস্থাপন না হওয়ায় পরিস্থিতি দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, বর্তমান বাস্তবতায় দুপাশে মসজিদের সামনে স্পিড ব্রেকার যথেষ্ট নয়। বরং মসজিদের আগে ও পরে পৃথকভাবে দুইটি সিঙ্গেল বিট স্থাপন করা হলে ফোর লেন থেকে আসা যানবাহনের গতি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন।
একই সঙ্গে যেখানে মহাম্মদপুর থানায় যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যুক্ত হয়েছে এবং একটি ব্যস্ত চৌরাস্তা গড়ে উঠেছে, এছাড়া স্টেডিয়াম গেট ও পুলিশ লাইন এলাকাতেও পূর্বে থাকা স্পিড ব্রেকারগুলো না থাকায় ঝুঁকি বেড়েছে।
এলাকাবাসীদের, শহরের ভেতর দিয়ে মহাসড়কের যান চলাচল এবং বিকল্প বাইপাস সড়কের অভাবে এই ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই জনস্বার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এসব পয়েন্টে স্পিড ব্রেকার পুনঃস্থাপন এবং গতি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, যার দায় এড়ানো কঠিন হবে সংশ্লিষ্টদের জন্য।
প্রধান উপদেষ্টা :সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ মনিরুজ্জামান, উপদেষ্টা :এস এম আজিজুর রহমান স্বপন, প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ শাহীন, সহযোগি সম্পাদক : মোসা: শেখ মাজেদা, নির্বাহী সম্পাদক : ফাতেমা বেগম, সম্পাদক শেখ জান্নাতুল ফেরদাউস,সম্পাদক : শেখ শারফিয়া মরিয়ম,সম্পাদক এ্যাড:ফারুক হোসেন,প্রকাশক ও প্রধান বার্তা সম্পাদক :জাহারুল ইসলাম জীবন, বার্তা সম্পাদক - আশিষ সাহা, বার্তা সম্পাদক অমিত তালুকদার,বার্তা সম্পাদক গাজী মনিরুজ্জামান মনি,প্রবাসী সম্পাদক :মোঃ সেলিম রানা,হেড অফ মার্কেটিং মোঃ মামুন মোল্লা,অফিস সম্পাদক মোঃ রোমেল হোসেন।
অফিস ঠিকানা:কর্পোরেট অফিস :৫৫/বি নোয়াখালী টাওয়ার লিফটের ১৬ রুম নং ১৬/২ ঢাকা-১০০০ আঞ্চলিক অফিস :ডাকবাংলা মোড় আকাঙ্ক্ষা টাওয়ার লিফটের ৫ রুম নং ৫/বি২ খুলনা মোবাইল নাম্বার: অফিস 01911223672, প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক 01811441416, বার্তা সম্পাদক-01974580945
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক ঢাকার সময় । Website: www.thedhakersomoy.com