১২ বছরের সাফল্যে কটিয়াদীর শাহীন ক্যাডেট একাডেমি, অপপ্রচারের প্রতিবাদ
মোঃ জোনায়েদ হোসেন জুয়েল
ষ্ট্যাফ রিপোর্টার,
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ‘কটিয়াদী শাহীন বৃত্তি ও ক্যাডেট একাডেমি’। প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক সাফল্য ও শিক্ষার মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া থাকলেও সম্প্রতি একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকরা।
প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা শাহীন ক্যাডেট একাডেমি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে। বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানে মোট ৬২৩ জন শিক্ষার্থী এবং ৩১ জন শিক্ষক রয়েছেন।
২০২৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির সরকারি বৃত্তি পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৬ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৪ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ২ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে বলে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
এছাড়া ২০২৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি সরকারি পাঠদানের অনুমতিও পেয়েছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিনের শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ধারাবাহিক ফলাফলের কারণে প্রতিষ্ঠানটি কটিয়াদীর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে।
সরেজমিনে প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কে ইতিবাচক তথ্য পাওয়া গেছে। কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বললে তারা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মীর মুর্শেদ ও প্রধান শিক্ষিকা ইমরানা আহমেদের আচরণ এবং পাঠদানের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে।
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বলেন, একটি মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভিন্ন বক্তব্য প্রচার করে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
পরিচালক মীর মুর্শেদ বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও শিক্ষার্থী সংখ্যা বৃদ্ধি দেখে একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে শুধু প্রতিষ্ঠানের নয়, এখানে অধ্যয়নরত শত শত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদেরও বিব্রত করা হচ্ছে।”
প্রধান শিক্ষিকা ইমরানা আহমেদ বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে কারও কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রমাণসহ উপস্থাপন করার সুযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা চাই, প্রকৃত তথ্য যাচাই করে তারপর কথা বলা হোক।”
স্থানীয়দের অনেকে মনে করেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে প্রশাসনিকভাবে তা যাচাই হওয়া উচিত। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের সাফল্য ও শিক্ষার পরিবেশ বিবেচনা না করে একতরফা অপপ্রচার চালানোও উচিত নয়।
প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের দাবি, অভিযোগের আড়ালে কোনো মহল যদি পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করে থাকে, তাহলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও প্রকাশ্যে আসা প্রয়োজন।
তাদের প্রত্যাশা, প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং কোনো পক্ষের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার থাকলে তারও অবসান হবে। শাহীন ক্যাডেট একাডেমির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা চান, বিতর্ক নয়, তাদের দীর্ঘদিনের শিক্ষা কার্যক্রম ও সাফল্যই হোক প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
প্রধান উপদেষ্টা :সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ মনিরুজ্জামান, উপদেষ্টা :এস এম আজিজুর রহমান স্বপন, প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ শাহীন, সহযোগি সম্পাদক : মোসা: শেখ মাজেদা, নির্বাহী সম্পাদক : ফাতেমা বেগম, সম্পাদক শেখ জান্নাতুল ফেরদাউস,সম্পাদক : শেখ শারফিয়া মরিয়ম,সম্পাদক এ্যাড:ফারুক হোসেন,প্রকাশক ও প্রধান বার্তা সম্পাদক :জাহারুল ইসলাম জীবন, বার্তা সম্পাদক - আশিষ সাহা, বার্তা সম্পাদক অমিত তালুকদার,বার্তা সম্পাদক গাজী মনিরুজ্জামান মনি,প্রবাসী সম্পাদক :মোঃ সেলিম রানা,হেড অফ মার্কেটিং মোঃ মামুন মোল্লা,অফিস সম্পাদক মোঃ রোমেল হোসেন।
অফিস ঠিকানা:কর্পোরেট অফিস :৫৫/বি নোয়াখালী টাওয়ার লিফটের ১৬ রুম নং ১৬/২ ঢাকা-১০০০ আঞ্চলিক অফিস :ডাকবাংলা মোড় আকাঙ্ক্ষা টাওয়ার লিফটের ৫ রুম নং ৫/বি২ খুলনা মোবাইল নাম্বার: অফিস 01911223672, প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক 01811441416, বার্তা সম্পাদক-01974580945
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক ঢাকার সময় । Website: www.thedhakersomoy.com