৫ দশকের চরম দুর্ভোগের অবসান, নিজ অর্থায়নে সেতু নির্মাণ করে অনন্য নজির গড়লেন মেম্বার আনছার আলী তুহিন
নুরুল আমিন
রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি
"যেখানে ছিল যুগের পর যুগ অবহেলা আর ভাঙা স্বপ্নের যাতায়াত, আজ সেখানে পরিবর্তনের আলো নিয়ে এলেন এক জনপ্রতিনিধি।" স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫০ থেকে ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত ছিল কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ৬ নং চর শৌলমারী ইউনিয়নের একটি বিশাল জনপদ। হলহলিয়া নদীর উপর বীর মুক্তিযোদ্ধা মান্নান হিরোর বাড়ির উত্তর পাশে, মিয়াচর, হাজিরহাট, চর শৌলমারী এবং পাখি উড়ার পুরো অঞ্চল—বিশেষ করে জুবায়ের মোড় ও উত্তর বাগুয়ারচরের প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষের জীবনযাত্রা ছিল এক চরম দুর্ভোগের গল্প। বিশেষ করে বর্ষাকালে নদী পারাপার কিংবা দৈনন্দিন যাতায়াত যেন এক রোমহর্ষক ও বিপজ্জনক অভিজ্ঞতায় পরিণত হতো। তবে দীর্ঘ এই ৫০-৫৫ বছরের পুঞ্জীভূত যাতায়াত সংকট ও জনগণের চরম দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতে এবার আলোর দিশারী হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন বর্তমান রানিং মেম্বার এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আনছার আলী তুহিন। সরকারি কোনো অনুদান বা বরাদ্দ-এর দীর্ঘসূত্রতার অপেক্ষায় না থেকে, সম্পূর্ণ নিজ অর্থায়ন এবং আংশিক জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় তিনি নিজ উদ্যোগে বাস্তবায়ন করছেন স্বপ্নের এই ব্রিজ নির্মাণ কাজ। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন যে, সদিচ্ছা থাকলে জনপ্রতিনিধিদের পক্ষেও বড় ধরনের সামাজিক পরিবর্তন আনা সম্ভব। স্থানীয়রা জানান, এই সেতুটি নির্মিত হওয়ার ফলে শুধু যাতায়াত ব্যবস্থারই আমূল পরিবর্তন আসবে না, বরং অবহেলিত এই জনপদের অর্থনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থায়ও পড়বে সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব। স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "এই ব্রীজটা হলে আমাদের এলাকার সামগ্রিক জীবনযাত্রায় এক আমূল পরিবর্তন আসবে। যুগের পর যুগ ধরে আমরা যে অবহেলার শিকার হয়েছি, তা থেকে মুক্তি মিলবে।" আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শহিদুল ইসলাম আক্ষেপের সুরে জানান, "একটি ব্রিজের অভাবে আমরা দীর্ঘদিন ধরে উৎপাদিত পণ্যের সঠিক ও ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়েছি। যোগাযোগের বেহাল দশার কারণে আমাদের ছেলে-মেয়েরা উচ্চশিক্ষা এবং পড়াশোনায় অনেক পিছিয়ে পড়েছিল। এই সেতু আমাদের জীবনযাত্রার গতি বহুলাংশে বাড়িয়ে দেবে।" একই সুর শোনা গেল ওই গ্রামের নারী সমাজের কণ্ঠেও। আছিয়া ও জরিনা বেগমের মতো সাধারণ গৃহিণীরা আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, অসুস্থ রোগী কিংবা গর্ভবতী মায়েদের হাসপাতাল নেওয়ার পথে নদী পারাপারের যে ঝুঁকি তারা দশকের পর দশক ধরে বয়ে বেড়িয়েছেন, এই সেতু নির্মাণের মাধ্যমে তার চিরতরে অবসান ঘটতে চলেছে। বিশেষ করে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এখন প্রতিদিন নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্টানে যাতায়াত করতে পারবে। রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতার চর্চা নয়, বরং মানুষের সেবা ও জনকল্যাণ—মোঃ আনছার আলী তুহিনের এই মহৎ উদ্যোগ তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। চর শৌলমারী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড তথা সামগ্রিক অঞ্চলের ইতিহাসে তার এই জনহিতকর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রধান উপদেষ্টা :সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ মনিরুজ্জামান, উপদেষ্টা :এস এম আজিজুর রহমান স্বপন, প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক : শেখ শাহীন, সহযোগি সম্পাদক : মোসা: শেখ মাজেদা, নির্বাহী সম্পাদক : ফাতেমা বেগম, সম্পাদক শেখ জান্নাতুল ফেরদাউস,সম্পাদক : শেখ শারফিয়া মরিয়ম,সম্পাদক এ্যাড:ফারুক হোসেন,প্রকাশক ও প্রধান বার্তা সম্পাদক :জাহারুল ইসলাম জীবন, বার্তা সম্পাদক - আশিষ সাহা, বার্তা সম্পাদক অমিত তালুকদার,বার্তা সম্পাদক গাজী মনিরুজ্জামান মনি,প্রবাসী সম্পাদক :মোঃ সেলিম রানা,হেড অফ মার্কেটিং মোঃ মামুন মোল্লা,অফিস সম্পাদক মোঃ রোমেল হোসেন।
অফিস ঠিকানা:কর্পোরেট অফিস :৫৫/বি নোয়াখালী টাওয়ার লিফটের ১৬ রুম নং ১৬/২ ঢাকা-১০০০ আঞ্চলিক অফিস :ডাকবাংলা মোড় আকাঙ্ক্ষা টাওয়ার লিফটের ৫ রুম নং ৫/বি২ খুলনা মোবাইল নাম্বার: অফিস 01911223672, প্রধান প্রকাশক ও সম্পাদক 01811441416, বার্তা সম্পাদক-01974580945
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক ঢাকার সময় । Website: www.thedhakersomoy.com