জামায়াতের মনোনয়ন বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি
চান্দিনা জামায়াতের মনোনয়ন নিয়ে রুকুনদের অসন্তোষ। কুমিল্লা–৭ (চান্দিনা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন নিয়ে স্থানীয় রুকুন ও নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ ভোটাভুটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকেরুল্লাহ নিরঙ্কুশ সমর্থন পেলেও, শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন দেওয়া হয় মাওলানা মোশাররফকে।
রুকুনদের অভিযোগ, দলীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট নেওয়ার পরও রায় উপেক্ষা করে অন্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এতে করে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, “যদি আগে থেকেই প্রার্থী ঠিক করা থাকে, তাহলে ভোটাভুটির আয়োজনের দরকার কী ছিল?”
সূত্র জানায়, প্রথম ভোটাভুটিতে ব্যারিস্টার মোস্তফা শাকেরুল্লাহ স্পষ্টভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পান। পরে স্থানীয় রুকুনরা জেলা জামায়াতের কাছে বিষয়টির ব্যাখ্যা চান, কিন্তু কোনো স্পষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি। বরং আনুগত্যের দোহাই দিয়ে তাদের নীরব থাকতে বলা হয়।
চান্দিনা জামায়াতের একাধিক রুকুন জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত দলীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। তারা দাবি করেছেন— “সংসদীয় আসনের অধিকাংশ রুকুন যাকে চায়, তাকেই প্রার্থী করা উচিত।”
এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।