মুন্সিগঞ্জে ছাত্রহত্যা দোসরদের কালো তালিকায় অস্ত্রধারীরা এখন কারাগারে।
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি - সুজন ব্যাপারী
মুন্সিগঞ্জের স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সরকার আমলে ছাত্রহত্যা আন্দোলনে দোসরদের কালো তালিকায় অস্ত্রধারীরা এখন মুন্সিগঞ্জ তিন আসনের সাবেক এমপি ফয়সাল বিপ্লব এর আন্ডারগ্রাউন্ড একান্ত সহকর্মী শহর পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও ছাত্রলীগ নেতা সাজ্জাদ হোসেন সাগর ও মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমেদ পাভেলসহ কারাগারে।
গত ২০২৪ গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অইদিন সকাল পৌনে ১০টার দিকে ছাত্র-জনতা শহরের সুপারমার্কেট চত্বরে সাবেক এমপি ফয়সাল নির্দেশে অস্ত্রধারী সাজ্জাদ হোসেন সাগর নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংরা শিক্ষার্থীদের উপর হামলার জন্য অস্ত্র-ককটেল লাঠিসোঁটা নিয়ে শহরে প্রবেশ করেন ২-৩ হাজার দলীয় নেতাকর্মী ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা অনুসারীরা।
ও-ই সময় শহরে গেলে পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা শিক্ষার্থীদের পেটাতে শুরু করেন। অন্যদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে গ্যাসের শেল ও ছররা গুলি ছোড়ে পুলিশ। গুলিতে উত্তর ইসলামপুরের রিয়াজুল ফরাজী, সজল মোল্লা ও নুর মোহাম্মদ মারা যান। এতে দেড় শতাধিক আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ আহত হন সাংবাদিকরাসহ।
এছাড়াও মুন্সিগঞ্জ তিন আসনের সাবেক এমপি ফয়সাল বিপ্লব প্রতিহিংসায় আওয়ামী লীগের স্বৈরাচার আমলে নিজ বাড়িতে গড়ে তোলেন কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকা ভাগ করে দিয়ে চালাতেন ভয়াবহ দুঃশাসন ক্ষমতার জুলুম অত্যাচার, দুর্নীতি, গুম, খুন, চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি, দখলবাজি, ক্যাডার বাহিনী নিয়ন্ত্রন অনিয়মসহ নিজ দলের রাজনীতিবিদদের ঘায়েল প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা, অস্ত্র বানিজ্য, গণধর্ষণ অপহরণ নানা এমন কোন অপকর্ম তারা করেননি রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন ও সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় সন্ত্রাস আর ত্রাসের পেশির জোরে প্রাচ্যের ড্যান্ডি খ্যাত ক্যাডাররা।