দেবিদ্বারে হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ‘দ্বিমুখী রাজনীতি’—এনসিপিতে প্রকাশ্যে ভেড়ানো হচ্ছে আওয়ামী কর্মীরা, ক্ষোভে উত্তাল স্থানীয়রা
আন্তর্জাতিক রিপোর্টার:
জুলাই আন্দোলনের মুখ হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান নেওয়া নেতা হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে কুমিল্লার দেবিদ্বারে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিলেও নিজের এলাকায় তার ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র।
স্থানীয়দের অভিযোগ—হাসনাত আবদুল্লাহর প্রত্যক্ষ অনুমতি ও ইশারায় দেবিদ্বারের প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ–সমর্থিত নেতা–কর্মীদের প্রকাশ্যেই এনসিপিতে ভেড়ানো হচ্ছে। সাম্প্রতিক ইউনিয়ন কমিটিগুলোর একেকটিতে তিন থেকে চারজন করে পরিচিত আওয়ামী কর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি সরাসরি জনসমক্ষে এসেছে।
এমনকি এনসিপিতে যোগ দেওয়া কয়েকজন প্রকাশ্যে স্বীকারও করেছেন—
“আওয়ামী কর্মীদের রক্ষা করতে আমরা এনসিপিতে এসেছি।”
এই বক্তব্যে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—এতটা সাহস তারা পাচ্ছে কার ছায়ায়?
দেবিদ্বারের জনগণের অভিযোগ, হাসনাত আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যক্তি তার নাম ব্যবহার করে এলাকায় মামলা বাণিজ্য, সন্ত্রাসী তৎপরতা, সরকারি প্রকল্প দখলসহ নানা অনিয়মে জড়িত। অথচ এসব বিষয়ে নেতার নীরবতা স্থানীয়দের ক্ষোভ আরও বাড়াচ্ছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় রাজনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামী মুখ হলেও স্থানীয়ভাবে তিনি দ্বিমুখী রাজনৈতিক আচরণ করছেন বলে দেবিদ্বারের মানুষের অভিযোগ। আওয়ামী ঘেঁষা নেতাদের দলে ভেড়ানোয় এনসিপির স্থানীয় কাঠামোও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
দেবিদ্বারের সাধারণ মানুষের দাবি—
“দেশে এক কথা—এলাকায় অন্য কথা, এই দ্বিচারিতা আর চলবে না।”
এলাকার মানুষের স্পষ্ট বার্তা—
“দেবিদ্বারের জনগণ সব দেখছে, সব বুঝছে। এবার সত্য প্রকাশের সময়