জলঢাকায় আশঙ্কাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে চোরের দৌরাত্ম, জনমনে আতঙ্ক
বিশেষ প্রতিনিধি, নীলফামারী
১৬ ডিসেম্বর, সোমবার
জলঢাকায় চোরের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে আশঙ্কাজনক ভাবে। পৌরসভা সহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় প্রতিদিন দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেই চলেছে। মাঝখানে কিছুদিন চোরদের এই তৎপরতা কিছুটা কমে এলেও আবার তা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে থানায় অভিযোগ করা হলেও অভিয়োগের বাইরেও অনেক চুরির ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে।
গতরাতে বালাগ্রাম ইউনিয়নের পুর্ব বালাগ্রাম চেয়ারম্যান পাড়ার বাসিন্দা সুমন নেওয়াজ হাফিজের ৫টি গরু তার গোয়ালঘরের তালা কেটে চুরি করে নিয়ে যায় সংঘবদ্ধ চোরচক্র। সুমন জানান, তিনি গতরাতে খাওয়া দাওয়ার পরে ঘুমিয়ে পড়লে রাতের কোনো একসময়ে তার গোয়াল ঘরের তালা ভেঙে পাঁচটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা। এ বিষয়ে তিনি জলঢাকা থানায় একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
এছাড়া গত ১৩ ডিসেম্বর জলঢাকা আইডিয়াল কলেজপাড়ার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক রিংকু পেট্রল পাম্প সংলগ্ন মসজিদের সামনে তার ১২৫ সিসি মোটর সাইকেলটি রেখে মসজিদে নামাজের জন্য ঢুকলে তার মোটর সাইকেলটিও চুরি হয়ে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে মোটর সাইকেলটি চুরি করে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা গেলেও এখনও মোটর সাইকেলটি উদ্ধার কিংবা চোর শনাক্ত করা সম্ভব হয় নাই। কিছুদিন আগে একই জায়গা থেকে ১০০ গজ দক্ষিনে গরুহাটির সামনে থেকে অবিলের বাজার কিশোরগঞ্জের একজন দরীদ্র শ্রমিকের একটি অটোগাড়ী চুরি হয়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও পরে আর অটেগাড়ীটি উদ্ধার করা যায় নাই।
গত অক্টোবর মাসে আইডিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক জনাব রশিদুল ইসলামের একটি ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল তাঁর কলেজ সংলগ্ন বাসার গ্রিল কেটে চুরি করে নিয়ে যায় চোরচক্র। অনেক কাঠখড় পুড়িয়েও সে গাড়িটির আর কোনো হদিস পাওয়া যায় নি।
অব্যাহত চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত সাধারন মানুষ পুলিশ প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ আশা করে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।