কোর্টে যেতে বাধা দিতে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ।
আন্তর্জাতিক রিপোর্টার: মো : সেলিম রানা
মানিকগঞ্জে একটি ধর্ষণ মামলার বাদীকে কোর্টে যেতে বাধা দিতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান এবং মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, আমান উল্লাহ আমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলার নির্ধারিত তারিখ ছিল ১৮ জানুয়ারি ২০২৬। ওইদিন সকাল আনুমানিক ১০টার সময় তিনি আদালতে যাওয়ার পথে একটি সিএনজি অটোরিকশা থেকে জোরপূর্বক নামিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে আটকে রেখে তার চাদরের ভেতরে ইয়াবার প্যাকেট গুঁজে দেওয়া হয়। এরপর অর্থের বিনিময়ে ডেকে আনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু সদস্য নাটকীয়ভাবে তাকে আটক করে। মূল উদ্দেশ্য ছিল—তিনি যেন আদালতে পৌঁছাতে না পারেন এবং ধর্ষণ মামলার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।
ভুক্তভোগী আরও দাবি করেন, আমান উল্লাহ আমান ও তার সহযোগীরা মাদকদ্রব্য প্রশাসনের সদস্যদের কাছে তাকে ২০০০ পিস ইয়াবা দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
পরবর্তীতে ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো ও মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তিনি জামিনে মুক্তি পান। আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি অন্যায়ভাবে হয়রানি থেকে রক্ষা পেলেও, এই ঘটনার মাধ্যমে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের ভয়াবহ ষড়যন্ত্র প্রকাশ পেয়েছে বলে মনে করছেন তিনি।
ভুক্তভোগীর ভাষ্য,
“আমাকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করতেই এই নাটকীয় মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এর সঙ্গে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হোক।”
এ ঘটনায় তিনি নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।