কুমারখালীতে পূর্ব শত্রুতা জের ধরে বাড়িতে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ।
এস এম কনক :
কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের নিয়ামত বাড়িয়া গ্রামের মো : আসাদুল ইসলাম (৩৫) , নামে ২৫/০৩/২০২৬ তারিখ বিকাল অনুমান ৪.০০ টা সময় আসাদুল বাড়িতে না থাকায় অবস্থায় মোছাঃ বুলবুলি খাতুন (৪০),স্ত্রী মোছাঃ ইতি খাতুনকে (২৭) ডাকে এবং তাহাদের বাড়ি যাইতে বলে। আসাদুলের স্ত্রী সরল মনে মোছাঃ বুলবুলি খাতুন,
বাড়িতে গেলে তার বাড়ি নিয়া যাইয়া আটকাইয়া রাখে। দরজা লাগিয়ে দিতে বলিলে আমার স্ত্রীর আটকাইয়া রাখা ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে আমার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করিতে থাকে। আমার স্ত্রী গালিগালাজ করিতে নিষেধ করা মাত্র আসামীগন মোছাঃ বুলবুলি খাতুন আমার স্ত্রীকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারতে মারত থাকে আহত করে। আমার স্ত্রী আত্মত্মচিৎকারে করিলে আমার মা মোছাঃ নূরজাহান খাতুন (৫০), ঠেকানোর উদ্দেশ্যে আসলে আসিলে মো সামাদ তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মায়ের মাথায় আঘাত করিতে গেলে উক্ত আঘাত আমার মার ডান হাত দিয়া ঠেকাইলে আমার মার ডান হাতের কব্জির নিচে লাগিয়া গুরত্বর হাড় ভাঙ্গা জখম হয়। আমার মা মাটিতে পড়িয়া গেলে
আমার মায়ের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে জখম করে। মো : সামাদ ও মোছাঃ বুলবুলি খাতুন (
আমার স্ত্রীর গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ওজন ৯ আনি ১,৪৬,০০০/= (এক লক্ষ ছয়চল্লিশ হাজার) টাকা, এক জোড়ার স্বর্ণের কানের দুল ওজন ৪ আনি মূল্য ৬৫,০০০/= (পয়ষট্টি হাজার) টাকা সহ আমার বাড়ির আসিয়া আমার বাড়ির টিনের তৈরি দরজা ভাংচুর করিয়া ক্ষতি ক্ষয়ক্ষতি করে। ঘটনাস্থলের শোরচিৎকার আশপাশের লোকজন স্বাক্ষী- ১। মোছাঃ বিলকিস খাতুন (৪০), স্বামী আসাদুল ইসলাম, ২। মোঃ শাওন হোসেন (২৫), পিতা- আসাদুল ইসলাম, সর্ব
এই বিষয়টি কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জামাল উদ্দিন বলেন অভিযোগ হাতে পেয়েছি তদন্ত সাক্ষীপে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।