সিলেট কোম্পানীগঞ্জে থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রত্যাহারের দাবিতে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা
সিলেট প্রতিনিধি
সিলেট কোম্পানীগঞ্জের ২০/৩/ ২৬ ঘঠনায় থালার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম খান প্রত্যাহারের দাবিতে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ সভা
প্রতিভার সভায় অভিযোগ করেন অসির ক্ষমতার অপব্যবহার নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার মামলা দিয়ে হয়রানি ঘোষ বালাজের অভিযোগ নিয়ে এলাকাবাসী খুব প্রকাশ করেন এ সময় একজন বক্তা বলেন আমাদের এই সাহ আরফিন টিলায় যারা অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে তুরাকারবাড়ি রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যবস্থা না নিয়ে সাধারণ মুদি দোকানি চায়ের দোকানদার সিএনজি চালক তাদেরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যান একজন বৃদ্ধ মহিলা যার বয়স 80 বছর সেই বৃদ্ধ মহিলাকেও থানার হাজতে রেখে তিনি মামলা দায়ের করেন থানার ওসির আচরণ অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন আমরা নিরীহ মানুষ চা বিক্রি করে আমার স্বামী আমাদের পরিবার পরী টোন নিয়ে তিন বেলা খেয়ে জীবন যাপন করি আমার স্বামীর অপরাধ কি ছিল আমার স্বামীকে কোম্পানিগঞ্জ থানার অফিসার সাহেব আটক করে নিয়ে যান আমরা তার সুষ্ঠু বিচার চাই
একজন মুদি দোকানদারের শিশু বাচ্চা দোকানে বসে কান্না করে অভিযোগ করেন আমার বাবা একজন মুদি দোকানদার আমার বাবার অপরাধ কি ছিল পুলিশের পোশাক পরে আমার বাবাকে এভাবে তুলে নিয়ে যাওয়াটা কতটুকু অন্যায় হয়েছে তা আমি নিজেই জানিনা তাই আমি পুলিশ প্রশাসনের উদ্যতম কর্মকর্তা যারা রয়েছেন এসব অসাধক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাদের নজর রাখা উচিত বলে আমি মনে করি
সিএনজি চালকের স্ত্রী বলেন আমার স্বামী প্রতিদিনের মতো সিএনজি চালিয়ে বাসায় ফেরার পথে রাস্তা থেকে পুলিশের পোশাক দাড়ি কয়েকজন সদস্য আমার স্বামীকে তুলে নিয়ে যায় কে বা কার পুলিশের সাথে দ্বন্দ্ব করেছে তাতো আমরা আমাদের জানা নেই যাচাই-বাছাই না করে আমার স্বামীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ইতিমধ্যেই মামলা করে জেলহাতে প্রেরণ করেছে কিন্তু আমাদের অকুল অনুরোধ বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমরা গরীব অসহায় মানুষ আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে আমরা খেটে খাওয়া মানুষ আমাদেরকে যদি এইভাবে কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তারা কোম্পানীগঞ্জের থালার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে গ্রেপ্তার হামলা মামলা করে তাহলে আমরা গিয়ে দাঁড়াবো
একজন বৃদ্ধ মহিলা যার বয়স 80 বছর তিনি কানটা জড়িত কন্ঠে বলেন কে অপরাধী কে অপরাধী না তা আমার জানা নেই আমার কি অপরাধ ছিল আমার চোখের সামনে আমার সন্তানকে তারা যখন মারধর করে আমি সামনে এগিয়ে যাই সেই সময় কোম্পানিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ অনি ওনার মহিলা পুলিশ দিয়ে আমাকে উঠিয়ে নিয়ে যান আমার সন্তানকে কি কারনে গ্রেফতার করা হয়েছিল তা জিজ্ঞাসা করতে গেলে আমাকে তারা গ্রেফতার করে আমি জানতে চেয়েছি আমার অপরাধ কি আমি একজন মা আমার বয়স ৮০ বছর আমার চোখের সামনে আমার সন্তানকে যখন তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তখন আমি সামনে গিয়ে দাঁড়াই জিজ্ঞাসা করা যদি আমার অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে তো আমি অপরাধী কিন্তু কোন অপরাধে আমাকে অপরাধী করা হলো এটা আমি পুলিশের উদ্যতম কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাচ্ছি
অসি শফিকুল ইসলাম খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন
প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত এলাকার গণ্যমান্য মুরব্বিয়ান রাজনীতিবিদ সহ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন