গৌরীপুরের হেলাল বাহিনী দাপটে গ্রামের নিরীহ মানুষ অতিষ্ঠ।
মোছাঃ নাছিমা খাতুন সুলতানাঃ
ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলাধীন পূর্ব শালিহর গ্রামের মোঃ আব্দুর রাশিদ এর ছেলে মোঃ হেলাল বাহিনীর দাপটে গ্রামের নিরীহ মানুষ অতিষ্ঠ। সূত্রে জানা যায় গত ৬/৪/২৬ ইং তারিখ দিবাগত রাত প্রায় ৩.৩০ মিনিটে একই গ্রামের মোঃ বিল্লাল মিয়া স্ত্রী মোছাঃ খাদিজা আক্তার এর বসত ঘরের দরজা কৌশলে খুলে প্রবেশ করে, ঘরে থাকা মহিলা কে ঘুমন্ত অবস্থায় জোর পূর্বক ধর্ষণ এর চেষ্টা করে। উক্ত মহিলার চিৎকার শুরু করলে হেলাল মিয়া দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।আশেপাশে লোকজন দ্রুত ঘুম থেকে জাগ্রত হয়। এই ঘটনা পরিপ্রেক্ষিতে খাদিজা আক্তার বাদী হয়ে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়েল করেন। অপকর্মের হোতা মোঃ হেলাল মিয়া সহ আরও অজ্ঞাত ১জন কে আসামি করে। পরে থানার এসআই ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেন এবং অভিযোগটি নন এফ.আই.আর করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়। এই নিয়ে পুরো গ্রাম জুড়ে আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাংবাদিক গন ও মানবাধিকার কর্মীগণ তথ্য সংগ্রহ করতে সরজমিনে গেলে গ্রাম ও এলাকাবাসী কাছে জানতে চাইলে তারা সত্যতা স্বীকার করে বলেন দীর্ঘদিন ধরে হেলাল মিয়া তার বাহিনী নিয়ে গ্রামের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছে। যেই প্রতিবাদ করে তার উপর নেমে আসে অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার লোকজন দিয়ে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন মামলা করে হয়রানি সহ মোটা অংকের টাকা আদায় এর পায়তারা সৃষ্টি করে আয় আয় হিস হিস চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি তার বাবা ও মা সহ আত্মীয়-স্বজন এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া গ্রাম বাসি আরও বলেন উল্লেখিত গ্রামের প্রায় নারীকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। তার অপকর্ম নিয়ে কয়েকবার গ্রাম্য শালিস বসলেও বিষয়টি সুরাহা হয়নি। এর কারণ হচ্ছে তার বাপ চাচা ৪ জন এবং তারা সংখ্যায় অনেক। বর্তমানে হেলাল বাহিনীর কারণে গ্রামের সাধারণ জনগণ সহ মহিলারা আতঙ্কে রয়েছে। এদিকে অভিযোগ এর বাদী খাদিজা আক্তার এর পরিবারটি চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে।এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর দূত পদক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগী পরিবারবর্গ ও গ্রামবাসী সাধারণ জনগণ।