ফরিদপুরে রহস্য জনক ভাবে যুবকের আত্মহত্যা । বন্ধঘর থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার।।।।
মো: জান্নাতুল নাইম
ফরিদপুর জেলা ক্রাইম রিপোর্টার।
নিহত যুবক এর নাম: মোহাম্মদ মেহেদী হাসান (২৬)। তিনি মামুনুর রশীদ ও তাসলিমা বেগম এর সন্তান ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি : কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট, থানার পূর্ববামপারা গ্রামে।
নিহত (মেহেদী) ফরিদপুর শহরের পৌরসভার ১১নং এর উত্তর আলিপুরের ন্যাসনাল আইডিয়াল স্কুল এর পাসে। লিটন খান এর বাড়িতে ভারা থাকতেন। তিনি আলিপুর গোরস্থান রোড সংলগ্ন (হেলালের অটোরিকশা) গ্যারাজে মেকানিক ছিল।
মঙ্গলবার, আনুমানিক রাত :১০ থেকে ১০:৩০ মধ্যে সময়ে তার পাশের রুমের লোকজন তাকে ডাকা ডাকি করে। দীর্ঘ সময় ঢাকা ঢাকি করার পরেও কোনো সারা শব্দ না পেয়ে স্থানীয়রা দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। প্রবেশ করে স্থানীয়রা (মেহেদী হাসান) এর ঝুলন্ত মরদেহ সিলিং ফ্যান এর সাথে দেখতে পায়। এরপরে স্থানীয় মানুষজন জরুরি পরিসবা।
৯৯৯ এ কল দিলে কোতোয়ালি থানা থেকে পুলিশ এসে ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে। এবং মরদেহ কে সিলিং ফ্যান থেকে নিচে নামায়। এরপরে মরদেহের (সুরতহাল) করে এবং বিভিন্ন আলামত জব্দ করে।
এবং স্থানীয় মানুষ দের কে জিজ্ঞেসাবাদ করে। এরপরে পুলিশ মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর ফরেনসিক বিভাগ এ পাঠানো হয়েছে।।।
ঘটনাটির বিষয়ে পুলিশের নিকট জানাত চায়লে।তদন্তকারি অফিসার(এসআই মাসুদ) দৈনিক ঢাকার সময় কে জানায় আমারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করেছি। এবং প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়েছে। এবং আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন মরদেহ কে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তার পরিবার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ তার পরিবার এর নিকট হস্তান্তর করা হবে। এবং তদন্ত করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।।।
এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চঞ্চল সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। কেও বলছে এটি একটি আত্মহত্যা আবার কেও বলছে এটি পরিকল্পিত হত্যা।।