চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
মোঃ আব্দুছ ছালাম ( কুমিল্লা প্রতিনিধি)
কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালের সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, রোগীদের চিকিৎসা সুবিধা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬ইং) দুপুরে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন।
সভায় সদস্য সচিব হিসেবে সঞ্চালনা করেন চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফুর রহমান। সভায় হাসপাতালের বর্তমান চিকিৎসা ব্যবস্থা, রোগীদের সেবার মানোন্নয়ন, চিকিৎসক ও জনবল সংকট, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জরুরি বিভাগের কার্যক্রম, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা, ওষুধ সরবরাহ এবং হাসপাতালের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন চান্দিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশরাফুল হক, চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান, ইউসিসিএ’র সভাপতি এবিএম সিরাজুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাছিমা আক্তার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. দেলওয়ার হোসেন, মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ) ডা. কামরুন নাহার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল লিমন, উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আবদুল আলিম, এইচইডি কুমিল্লার সহকারী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম, নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, ৮নং বরকইট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম এবং ব্র্যাকের প্রতিনিধি তোয়াদা আহসান সাফিন।
এছাড়াও সভায় উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভাপতির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আতিকুল আলম শাওন বলেন, “চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও জনবান্ধব হাসপাতালে রূপান্তর করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। সাধারণ মানুষ যেন দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পায়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “গৌরীপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত আর কোনো সরকারি হাসপাতাল নেই। এ এলাকার সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। জরুরি বিভাগের ওষুধের অভাবে কোনো রোগীকে কষ্ট পেতে হবে না। সরকারি বরাদ্দের বাইরে প্রয়োজনীয় ওষুধ সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে জরুরি বিভাগের কোনো রোগী চিকিৎসার অভাবে মারা না যায়।”
সভা শেষে হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।