1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন

এক প্রকল্পেই ঘাটতি ২০ লাখ, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১ Time View

কুড়িগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আইনুল হকের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ১৬৫ টাকা লোপাটের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দাখিল করেছেন একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক আরেক অধ্যক্ষ রেজাউল করিম খন্দকার। অভিযোগে উঠে এসেছে এলজিইডি পরিচালিত চলমান প্রভাতী প্রকল্পের ট্রান্স ১ থেকে ট্রান্স ৮ প্রকল্পের ২০ লাখ ৫২ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা ঘাটতির কথা। দুদকে দেওয়া অভিযোগের একটি কপি এসেছে প্রতিবেদকের হাতে।

 

অভিযোগে বলা হয়, প্রভাতী প্রকল্পের ট্রান্স ৫ এর বরাদ্দ ছিল ৩২ লাখ ৪২ হাজার ৪২২ টাকা অথচ খরচ করা হয়েছে ৪৩ লাখ ৬০ হাজার ৯৫২ টাকা।

 

 

ট্রান্স ৬ এর বরাদ্দ ছিল ২১ লাখ ২৭ হাজার ২৯ টাকা কিন্তু খরচ করা হয়েছে ২৫ লাখ ৪০ হাজার ৮৪২ টাকা। ট্রান্স ৭ এর বরাদ্দ ছিল ৩১ লাখ ৯০ হাজার ৫৪৩ টাকা তবে খরচ করা হয়েছে ৩১ লাখ ৫২ হাজার ৬৬৯ টাকা। এদিকে, ট্রান্স ৮ প্রকল্প চলমান।

২০১৯ সালে টিটিসির ভিলস অ্যান্ড ট্রেনিং এ্যানহেন্সমেন্ট প্রকল্পের আওতায় প্রকল্প পরিচালকের অনুমোদন না নিয়ে ধোলাইখাল হতে ওয়ানিং মেশিনসহ প্যাকেজের মালামাল ক্রয়ে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা মালামাল ক্রয় করেন যা নিয়ম বহির্ভূত।

একই বছরে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে অধ্যক্ষ পুরাতন ডিহিউমিডি ফায়ার, হট অ্যান্ড ফুল ওয়াটার ডিসপেনসার, হ্যালাইড লিক ডিটেক্টর এবং স্পট ওয়েন্ডিং মেশিনসহ মালামাল ক্রয় করেন ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার।

অভিযোগে আরো বলা হয়, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে অন্যান্য রাজস্ব বাজেটের আওতায় ভবন স্থাপনা ও মেয়ামত খাতে কোটেশনের মাধ্যমে ৪ লাখ ১১ হাজার ৩৯৬ টাকার সাইকেল গ্যারেজ নির্মাণে নিম্নমানের কাজ করে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫ টাকা।সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা না দিয়ে আত্মসাৎঅধ্যক্ষ প্রকৌশলী আইনুল হক কুড়িগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে নিয়মিত/স্বনির্ভর ও এনজিও কর্তৃক পরিচালিত কোর্স ও হাউজ কিপিং কোর্সের প্রশিক্ষণার্থীদের নিকট হতে ২০২০ সাল পর্যন্ত হোস্টেলে থাকা বাবদ আদায় করা হয় ১ কোটি ৬১ লাখ ২৭ হাজার ৬২৫ টাকা। এর মধ্যে ১ কোটি ৩০ লক্ষ ৯১ হাজার ১৭৩ টাকা নিয়ম বহির্ভূতভাবে বিভিন্ন খাতে খরচ দেখিয়ে অবশিষ্ট ৩০ লক্ষ ৭৬ হাজার ৪৫২ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান না করে আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উঠে এসেছে।

 

এ ছাড়াও ড্রাইজিং (প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন বাংলাদেশ ও মহিদেব), ইন্ডাস্ট্রিয়াল সুইং মেশিন অপারেশন, ওয়েল্ডিং, মোবাইল ফোন সার্ভিসিং, অটোক্যাড (স্ব-নির্ভর), ইংলিশ (স্ব-নির্ভর), ইলেকট্রিক্যাল, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কম্পিউটার, ড্রাইডিং (স্ব-নির্ভর), ওয়েন্ডিং (নিয়মিত), ইলেকট্রিক্যাল (নিয়মিত), ইলেকট্রনিক্স (নিয়মিত), সিভিল (নিয়মিত), গার্মেন্টস (নিয়মিত), কম্পিউটার (নিয়মিত), আডএসি (নিয়মিত)ও হাউজকিপিং কোর্সের ভর্তি ফি বাবদ আদায়কৃত ১ কোটি ২৪ লাখ ৯ হাজায় ৮০০ টাকা। তার মধ্যে ৯১ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫০৩ টাকা বিধি সম্মত ও বিধি বহির্ভূতভাবে খরচ অবশিষ্ট ৩২ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগে উঠে আসে।

 

শিক্ষার্থী বেশি দেখিয়ে টাকা লোপাটের অভিযোগ

২০১৫ সাল কুড়িগ্রাম টিটিসিতে ২৩২টি ব্যাচে ৪৩৮৯ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করে সদায়ন করেছেন। কিন্তু অর্থনৈতিক হিসাবে দেখা যায়-৩৮৯০ জনের হিসাব আছে। ৪৯৬ জনের কোনো হিসাব নাই।

 

 

এ ছাড়াও ন্যূনতম পঞ্চম শ্রেণি পাস সম্পন্ন প্রশিক্ষণার্থী ভর্তির নির্দেশনা থাকলেও অধ্যক্ষ প্রকৌ. মো. আইনুল হকের মৌখিক নির্দেশনায় অক্ষরজ্ঞানহীন প্রশিক্ষণার্থী অবৈধ অর্থের বিনিময়ে ভর্তি করে সনদ বাণিজ্য করা হয়েছে। এ ছাড়াও অধ্যক্ষ আইনুল হক কোনোরূপ বিল ভাউচার ছাড়াই হাউজ কিপিং ফোর্সের ইনচার্জ সিগ্রা রানী সেনের নামে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫০০টাকা উত্তোলন দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

লালমনিরহাট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আইনুল হক বলেন, ‘ওইসব অভিযোগের জবাব কর্তৃপক্ষকে আমি দিয়েছি, আমি কোনো দুর্নীতি করি নাই।’

 

কুড়িগ্রাম টিটিসিতে ২০১৫ থেকে ২০২০ পর্যন্ত উপাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন প্রকৌশলী আইনুল হক। পরবর্তী সময় ২০২২ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। বর্তমানে তিনি লালমনিরহাট টিটিসিতে অধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন।

সূত্র কালের কণ্ঠ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd