1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

অনুপস্থিত কর্মী, বদলি শ্রমিক ও বেতন কেলেঙ্কারি—কিশোরগঞ্জ পিডব্লিউ অফিসে তীব্র বিতর্ক

জবাবদিহিতার দাবি জোরালো স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ সময়

অনুপস্থিত কর্মী, বদলি শ্রমিক ও বেতন কেলেঙ্কারি—কিশোরগঞ্জ পিডব্লিউ অফিসে তীব্র বিতর্ক

জবাবদিহিতার দাবি জোরালো

স্টাফ রিপোর্টার

কিশোরগঞ্জ পিডব্লিউ দপ্তরকে ঘিরে নতুন করে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রেললাইনের রক্ষণাবেক্ষণে নিয়োজিত কর্মীদের উপস্থিতি, কাজের বাস্তবতা, বেতন উত্তোলন, বদলি দিয়ে দায়িত্ব পালন এবং গেইটম্যানদের কাছ থেকে মাসিক অর্থ নেওয়ার অভিযোগ সামনে আসায় দপ্তরটির কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক গ্যাং সদস্য নিয়মিত কর্মস্থলে না গিয়েও বেতন তুলছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অফিস নথি অনুযায়ী গ্যাং নং–০৭ এর সদস্যদের প্রতিদিন সকাল সাড়ে সাতটায় ২৭৪ থেকে ২৮১ নম্বর পিলার এলাকায় কাজ করার কথা থাকলেও বিভিন্ন দিনে সেখানে গিয়ে কোনো কর্মীকে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান দলটি নরসিংদীতে কাজ করছে। তবে টাইমকিপার নোমান বলেন, একই দল ভৈরবে দায়িত্ব পালন করছে। এই ভিন্নমুখী বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

গ্যাং নং–০৯ সম্পর্কেও মিলেছে অসঙ্গতি। টাইমকিপারের দাবি, দলটি নীলগঞ্জ স্টেশনের ২৮৮ থেকে ২৯৪ নম্বর পিলারে কাজ করছে। কিন্তু সরেজমিনে সেখানে কোনো কর্মীর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। পরে কর্মকর্তা প্রথমে দুইজন কাজ করছেন বলে জানান, পরে বলেন তারা ছুটিতে আছেন। অথচ গ্যাংটিতে আটজন সদস্য থাকার কথা।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, কিছু কর্মী নিজ দায়িত্বে না থেকে অন্যদের দিয়ে কাজ করাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বদলি হিসেবে কাজ করা এক শ্রমিক জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অন্যের পরিবর্তে কাজ করছেন। এতে সরকারি দায়িত্ব পালনের নিয়মনীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, কিশোরগঞ্জে দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অফিসে কম দেখা যায় এবং অফিস সময়ের বড় অংশ তিনি অন্য জেলায় অবস্থান করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, তার প্রধান দায়িত্ব অন্য জেলায় হওয়ায় সব সময় কিশোরগঞ্জে থাকা প্রয়োজন হয় না।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ এসেছে ভৈরব বাজার থেকে আঠারোবাড়ি পর্যন্ত প্রকল্পে কর্মরত ৪৮ জন গেইটম্যানকে ঘিরে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রত্যেকের কাছ থেকে মাসিক এক থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গেইটম্যান বলেন, দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনের শর্তে এ টাকা দিতে হয়।

রেলপথের নিরাপত্তা ও সরকারি অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতার প্রশ্নে এসব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্তের দাবি উঠেছে। স্থানীয়রা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে দপ্তরে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd