1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন

আফতাবনগরে আওয়ামী লীগ স্থানীয় নেতা এস. এম. কামালের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন জনমনে।

রিপোর্টার: নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ০ সময়

পৃষ্ঠা: মহানগর / অনুসন্ধান
তারিখ: রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

রিপোর্টার: নিজস্ব প্রতিবেদক

আফতাবনগরে আওয়ামী লীগ স্থানীয় নেতা এস. এম. কামালের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন

সূত্রের দাবি, ৪৫ বাড়ি ও শতাধিক ভেকুর মালিক — তদন্তের দাবি উঠেছে

ঢাকা:
রাজধানীর আফতাবনগরে স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত এস. এম. কামালকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক স্থানীয় সূত্র দাবি করছে, তিনি বর্তমানে প্রায় ৪৫টি বাড়ির মালিক এবং তাঁর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ১৪৫টিরও বেশি মাটি কাটার যন্ত্র (ভেকু)। এসব যন্ত্র থেকে তিনি প্রতি মাসে আনুমানিক ৫ কোটি পঁচিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযুক্ত এস. এম. কামাল বা তাঁর প্রতিনিধির মন্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সূত্রের বক্তব্য

আফতাবনগরের কয়েকজন ব্যবসায়ী ও শ্রমিক নেতা জানান, কামাল দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্প, ঠিকাদারি ও ভাড়াভিত্তিক যন্ত্রপাতির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ বলেন, তিনি এলাকার রাজনীতি ও প্রশাসনিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে দ্রুত সম্পদ গড়ে তুলেছেন।

একজন স্থানীয় ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,

> “কামাল ভাইয়ের ভেকু ভাড়া পাওয়া মানেই সময়মতো কাজ শেষ হয়। এলাকায় সবাই জানে তাঁর মেশিনের সংখ্যা শতাধিক।”

অন্যদিকে, স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি,

> “তাঁর এখন একাধিক বাড়ি ও প্লট রয়েছে। কতগুলো আছে ঠিক বলা যায় না, কিন্তু সবাই জানে তিনি এলাকার বড় সম্পদশালী।”

স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান এসএম কামাল হোসেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রদের বিপক্ষে ছিলেন এবং ছাত্র হত্যা মামলার ১০ নম্বর আসামি এই এস এম কামাল এই মামলায় প্রধান আসামি শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য দশরথরা
কিন্তু উনি কি কারিশমা জানেন এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রশাসনের নাকের ডগায়

আর একজন স্থানীয় ব্যক্তি জানান এই থানার যত ওসি আসেন সব ওসিকে তার বাসায় দাওয়াত করিয়ে নামিদামি ব্রান্ডের জিনিসপত্র গিফট করেন এবং বুড়ি বস করেন তার বদলেতে তাকে গ্রেফতার করা যায় না তার হাত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বড় ছিল এখনো তার হাত বড়ই রয়ে গেছে বিপুল পরিমাণ টাকার জন্য আমরা এই টাকা পয়সার উৎস জানতে চাই

আরেকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়িক বলেন তিনি তার কালো টাকা বিভিন্ন মসজিদ-মাদ্রাসার এসি ক্রয়ের জন্য ব্যবহার করে সমাজের চোখে বর্ণ লোক হয়ে থাকতে চায় অথচ তার অবৈধ সম্পদের পাহাড় দিয়ে ধর্মব্যবসা করেন
এক একটি মসজিদ মাদ্রাসায় দশটি করে এসি দেন
এত টাকার এসি সে দিয়ে এলাকায় মানুষের চোখে বর্ণ হয়ে থাকতে চায় এবং প্রতিটা মসজিদ মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি হতে চায় এটাই তার নেশা।

অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

অর্থনীতিবিদ ও সুশাসন-সংক্রান্ত সংগঠনগুলো বলছে, এ ধরনের বিপুল সম্পদের উৎস স্বচ্ছ না হলে তা যাচাই করা উচিত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,

> “যদি কোনো ব্যক্তির সম্পদ তাঁর ঘোষিত আয় বা পেশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তবে তা অনুসন্ধানের আওতায় আনা সম্ভব।”

স্থানীয় নাগরিকরা বলছেন, কামালের সম্পদ ও আয়ের উৎস সম্পর্কে প্রশাসনিক যাচাই প্রয়োজন। তাঁরা দাবি করছেন, “তিনি দীর্ঘদিন ধরে যন্ত্রপাতি ভাড়া ও নির্মাণ ব্যবসার মাধ্যমে আয় করছেন, কিন্তু সেটি সরকারি নথিতে কতটা প্রতিফলিত, জানা যায় না।”

অভিযুক্তের বক্তব্য

এই প্রতিবেদন প্রকাশের আগে এস. এম. কামালের মোবাইল ও দপ্তরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পেলে পরবর্তী সংস্করণে হালনাগাদ করা হবে।

পটভূমি

আফতাবনগর গত এক দশকে দ্রুত নগরায়নের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। এখানে জমির দাম ও নির্মাণখাতে বিপুল অর্থের প্রবাহ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে কিছু ব্যক্তি অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় মহলে ঘুরছে।

সম্পাদকীয় মন্তব্য

এই প্রতিবেদন স্থানীয় সূত্র থেকে সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। অভিযোগগুলো যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও তদন্ত সংস্থার। সংবাদটির উদ্দেশ্য কারও প্রতি দোষারোপ নয়; বরং বিষয়টি নিয়ে জনস্বার্থে অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হল

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd