আবারও খলিলপুর বাজারসংলগ্ন এগ্রো প্রতিষ্ঠানে অবৈধ কারেন্ট জাল কারখানায় অভিযান; প্রশাসনের ভূমিকা ও সংবাদ প্রকাশ না হওয়া নিয়ে প্রশ্ন
স্টাফ রিপোর্টার | ফরিদপুর
ফরিদপুরের খলিলপুর বাজারসংলগ্ন একটি এগ্রো প্রতিষ্ঠানের ভেতরে আবারও অনুমোদনহীন ও অবৈধ কারেন্ট জাল তৈরির কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের দাবি, একই স্থানে এর আগেও প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল জব্দ ও ধ্বংস করেছিল। তবে কিছুদিনের ব্যবধানে পুনরায় সেখানে অবৈধভাবে কারখানাটি চালু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহলের একাংশের অভিযোগ, এত বড় অভিযান পরিচালিত হলেও বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে তেমন কোনো সংবাদ প্রকাশিত হয়নি। কেন এ ধরনের অভিযান সংবাদমাধ্যমে স্থান পায়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ব্যক্তি দাবি করেছেন, অভিযানের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের উপস্থিত থাকার আহ্বান জানালেও উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি দেখা যায়নি। তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের আরও দাবি, অভিযানে ফরিদপুর ও রাজবাড়ীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা নেতৃত্ব দেন এবং জব্দ করা কারেন্ট জাল ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে স্থানীয় প্রেসক্লাব ও সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের মতামতও পাওয়া যায়নি।
সচেতন মহল বলছে, অবৈধ কারেন্ট জাল উৎপাদন ও বিপণন পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি। তাই এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি, অভিযানের তথ্য জনস্বার্থে প্রকাশ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।