1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

এ অঞ্চলের স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের গৌরবময় প্রতীক, কেরামত আলী জামে মসজিদ।

মোঃ আব্দুস সালাম স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬
  • ৭ সময়

এ অঞ্চলের স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের গৌরবময় প্রতীক,

কেরামত আলী জামে মসজিদ।

 

মোঃ আব্দুস সালাম স্টাফ রিপোর্টার

 

শুধু একটি ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, বরং এ অঞ্চলের স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের গৌরবময় প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ বাজারে অবস্থিত আলহাজ কেরামত আলী জামে মসজিদ।

১৯৬৭ সালে মোগল স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে নির্মিত তিন গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদটি নির্মাণ করেন তৎকালীন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক ও দানবীর আলহাজ্ব মোঃ কেরামত আলী। ধর্মীয় ও সামাজিক উন্নয়নে নিবেদিত এই ব্যক্তিত্বের উদ্যোগেই মসজিদটি গড়ে ওঠে, পরবর্তীতে তাঁর নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়।

মসজিদটির মূল স্থাপত্যে মোগল আমলের নকশার সুস্পষ্ট ছাপ রয়েছে। মাঝখানে একটি বড় গম্বুজ এবং দুই পাশে দুটি ছোট গম্বুজ মিলিয়ে তৈরি হয়েছে অনন্য নকশা। গম্বুজ ও দেয়ালের অলঙ্করণে ইসলামী জ্যামিতিক নকশার পাশাপাশি ইরানি ও উপমহাদেশীয় স্থাপত্যশৈলীর সংমিশ্রণ দেখা যায়। নির্মাণে ব্যবহৃত হয়েছে ইরান থেকে আনা মূল্যবান পাথর, যা এর সৌন্দর্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। চার কোণায় সুউচ্চ মিনারগুলো টেরাকোটা ও মার্বেলের কাজের মাধ্যমে স্থাপনাটিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা।

ভেতরের অংশে রয়েছে প্রশস্ত নামাজঘর, মার্বেল পাথর ও মোজাইক টাইলসের ব্যবহার। দেয়ালে সুরা ও ইসলামী নকশার সজ্জা মসজিদটির আধ্যাত্মিক পরিবেশকে আরও গাঢ় করেছে। পাশাপাশি প্যান্ডেল আকৃতির ছাদ মুসল্লিদের জন্য প্রশান্তিময় পরিবেশ তৈরি করেছে।

মসজিদটির সঙ্গে রয়েছে একটি বড় পুকুর, সুপরিকল্পিত ঘাট, আধুনিক অজুখানা এবং ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য আবাসন সুবিধা। প্রায় এক হাজার মুসল্লি একসঙ্গে এখানে নামাজ আদায় করতে পারেন। বিশেষ করে জুমার নামাজ ও ধর্মীয় উৎসবের সময় দূরদূরান্ত থেকে মুসল্লিরা এখানে সমবেত হন।

স্থানীয়দের মতে, কেরামত আলী জামে মসজিদ এখন শুধু কমলগঞ্জ নয়, পুরো মৌলভীবাজার জেলার একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গর্বে পরিণত হয়েছে। এটি ঘিরে একটি ইসলামিক হেরিটেজ কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনাও রয়েছে। যথাযথ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মসজিদটি ভবিষ্যতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd