1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৪ অপরাহ্ন

ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্সে মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ৩৫ সময়

ছয় মাস পর পাগলা মসজিদের ১৩ দানবাক্সে মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স প্রায় ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৭টায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ৪৩ বস্তা টাকা। পরে বস্তাভর্তি টাকাগুলো মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গণনার কাজ শুরু করা হয়।

দীর্ঘ সময় গণনা শেষে দানবাক্সগুলো থেকে সর্বমোট ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা পাওয়া গেছে। এর মাধ্যমে আবারও দানের নতুন রেকর্ড গড়েছে দেশের অন্যতম আলোচিত এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।

টাকা গণনার কাজে অংশ নেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬৭১ জন ব্যক্তি। এর মধ্যে রয়েছেন জামিয়া ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ৩০০ জন ছাত্র, পাগলা মসজিদ মাদ্রাসার ১০৬ জন ছাত্র, রূপালী ব্যাংকের ১৩০ জন কর্মকর্তা, পাগলা মসজিদের ৩৫ জন স্টাফ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ১৯ জন কর্মচারী, জেলা প্রশাসনের ১৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৪০ জন পুলিশ সদস্য, ৮ জন র‌্যাব সদস্য এবং ২০ জন আনসার সদস্য।

দানবাক্স খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর দানবাক্স খুলে রেকর্ড ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা পাওয়া যায়। ওই সময় নগদ অর্থের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালংকার ও হীরাও পাওয়া গিয়েছিল।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামিক কমপ্লেক্সের পরিচালন ব্যয় নির্বাহের পর অবশিষ্ট অর্থ ব্যাংকে জমা রাখা হয়। বর্তমানে সরাসরি দানের ১১৪ কোটি টাকা এবং অনলাইনে প্রাপ্ত ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা ব্যাংকে জমা রয়েছে। এছাড়া বৈদেশিক মুদ্রা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার জেলা প্রশাসনের ট্রেজারিতে সংরক্ষিত আছে।

তিনি আরও জানান, দানের অর্থ জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান প্রদান, অসহায় মানুষ এবং জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd