1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন

জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছিলো‌ শোলাকিয়া ঈদগাহ, অনুষ্ঠিত ১৯৯তম ঈদ জামাত

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ০ সময়

জনসমুদ্রে রূপ নেয় শোলাকিয়া ঈদগাহ, অনুষ্ঠিত ১৯৯তম ঈদ জামাত

 

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:

 

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাখো মুসল্লির অংশগ্রহণ আর নজিরবিহীন নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দুই শতকের ঐতিহ্য ধরে রেখে আবারো জনসমুদ্রে পরিণত হয় ঈদগাহ মাঠ।

ভোর হওয়ার আগেই নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত ঈদগাহ ময়দানে মুসল্লিদের আগমন শুরু হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অনেকেই আগের দিনই কিশোরগঞ্জে এসে অবস্থান নেন। সকালে ঈদগাহমুখী সব সড়ক মুসল্লিতে ভরে যায়।

জামাতে ইমামতি করেন মুফতি আবুল খায়ের মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ। নামাজ শেষে বিশ্বশান্তি, যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

জামাত শুরুর অনেক আগেই মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। জায়গা না পেয়ে অনেক মুসল্লি আশপাশের সড়ক, নদীর পাড়, ফাঁকা স্থান ও ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন।

ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। চার স্তরের নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তোলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করে মুসল্লিদের মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। ছাতা, লাঠিসোঁটা, দিয়াশলাই বা লাইটার বহনে ছিল নিষেধাজ্ঞা।

নিরাপত্তায় চার প্লাটুন সেনাবাহিনী, পাঁচ প্লাটুন বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। ড্রোন ও সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয় পুরো এলাকা।

প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী নামাজ শুরুর আগে বন্দুকের গুলির মাধ্যমে সংকেত দেওয়া হয়—১৫ মিনিট আগে তিনটি, ১০ মিনিট আগে দুটি এবং ৫ মিনিট আগে একটি গুলি ছোড়া হয়।

জামাতে অংশ নেন পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা ও পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ঈদগাহ মাঠ ও আশপাশে স্থাপন করা হয় একাধিক নিরাপত্তা চৌকি। মাঠে ছিল অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিক্যাল টিম ও অগ্নিনির্বাপণ ইউনিট। স্কাউট সদস্যরা স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য, ১৮২৮ সালে এখানে একসঙ্গে সোয়া লাখ মুসল্লির ঈদের নামাজ আদায়ের মাধ্যমে শোলাকিয়া ঈদগাহের ঐতিহ্যের সূচনা হয় বলে জনশ্রুতি রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজও দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদ জামাতের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত শোলাকিয়া।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd