1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

ডুমুরিয়ার শাহপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ!

মো: রোমেল খুলনা
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ০ সময়

ডুমুরিয়ার শাহপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ!

 

মো: রোমেল খুলনা।

 

ডুমুরিয়া উপজেলার শাহপুর মধুগ্রাম কলেজের জমিতে বৃহৎআকারের দুটি শিরিশ গাছসহ বেশ কয়েকটি গাছ বিধিবহিভ’র্তভাবে কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কোন রকম যাচাই বাছাই ছাড়াই এসব গাছ কেটে বিক্রি করার কাজে নাটের গুরু কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ফারুক আলম।

তবে তিনি বলেন, গাছ কাটতে আবার অনুমতি কিসের। শুধূ তাই নয় কলেজের পুকুরের মাছ ধরে নিজেরাই ভাগ করে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে পাওয়া মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কলেজের অধ্যক্ষের নিকট জানতে তার দপ্তরে গেলে তিনি সংবাদকর্মীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরন করেন। কলেজের জমিতে বৃহৎ আকারের দুটি শিলিশ গাছ ক্রেতা আব্দুস সালাম ফকির জানান, কলেজেল প্রিন্সিপাল স্যার আমার কাছে ৪১ হাজার টাকায় দুটি শিরিশ গাছ বিক্রি করেছেন। গাছ বিক্রির দাপ্তরিক কোন অনুমতি আছে কিনা এটি তার জানা নেই।

শুধু তাই নয় কলেজের প্রধান ফটকের কাছে থাকা তিনটি কৃষ্ণচুড়া গাছও বিক্রি করে দেয়া হযেছে। এছাড়া কলেজের পুকুর থেকে মাছ শিকার করে কলেজের অধ্যক্ষসহ অণ্য শিক্ষকরা ভাগ করে বাড়ি নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

বনবিভাগের খুলনার জনৈক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার প্রয়োজন হলে সেটি ক্ষতির দিক বিবেচনা বা প্রয়োজনীয়তা যাচাই বাছাই করে তবে আইনগতভাবে বিক্রি করা যায়। বিনা অনুমতিতে গাছ কাটা আইনত অপরাধ।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ফারুক আলমের কাছে তার সেল ফোনে জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মীকে বলেন, আপনি আইন জেনে তারপর কথা বলেন। আমার প্রতিষ্ঠাটানের গাছ কি করব সেটি আমার ব্যাপার । এ নিয়ে আপনার মাথাব্যথা কেন। তিনি দম্ভভারে বলেন, এই কলেজের শিক্ষার্থী বর্তমানে মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তাই পত্র- পত্রিকায় লিখে কোন কাজ হবে না। এই কথা বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

 

এদিকে মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড যশোর-এর সচিব মোঃ মাহবুবুর রহমান বলেন, শিক্ষ প্রতিষ্ঠনসহ সরকরি কোন প্রতিষ্ঠানের গাছ সেটি জীবিত হোক আর মৃত হোক যদি কাটার প্রয়োজন পড়ে তবে বনবিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে করা যেতে পারে। তা না হলে এইটা অপরাধ।

এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও সহকারি কমিশনার (ভূমি)’র সরকারি ফোন নম্বরে কয়েকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd