1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন

দেবিদ্বারে ছোট বোনকে “জিন ছাড়াতে” নিয়ে গিয়ে বড় বোন ধর্ষণের শিকার, পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আত্ম

স্টাফ রিপোর্টার : মো: সেলিম রানা
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ০ সময়

🔴 দেবিদ্বারে ছোট বোনকে “জিন ছাড়াতে” নিয়ে গিয়ে বড় বোন ধর্ষণের শিকার, পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আত্মসাৎ

স্টাফ রিপোর্টার : মো: সেলিম রানা

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের কথিত কবিরাজ কুদ্দুস মিয়ার (পিতা মৃত আব্দুল কাদের জিলানী) কাছে ছোট বোনকে জিন ছাড়াতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন উপজেলার ফুলতলী গ্রামের গৃহবধূ শারমিন আক্তার মিম (১৯)।

এই ঘটনায় ভিক্টিমের মা জোসনা বেগম সোমবার (২০ অক্টোবর ২০২৫) দেবিদ্বার থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

লিখিত এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুন ২০২৫ সকাল ৯টার দিকে ছোট বোন নাসরিন আক্তারকে নিয়ে কবিরাজ কুদ্দুস মিয়ার বাড়িতে যান শারমিন। সেখানে চিকিৎসার নাম করে কুদ্দুস কবিরাজ বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিজের বসতঘরের গোপন কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে।

পরে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে কুদ্দুস মিয়া শারমিনের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। শুধু তাই নয়, পরবর্তীতেও ভিডিও প্রকাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং আরও মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে।

ভিক্টিমের ভাষ্যমতে, “আমি আমার ছোট বোনকে জিন ছাড়াতে নিয়ে যাই। চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সই নেয়। এরপর জোর করে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরে ভিডিও দেখিয়ে টাকা দাবি করে এবং একাধিকবার সম্পর্ক স্থাপন করে। এমনকি আমার ভাইকে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে তিন লাখ টাকা নেয়। টাকা ফেরত চাইলে ভিডিও ছড়িয়ে দেয় আমার শ্বশুরবাড়ি ও স্বামীর কাছে।”

ভিক্টিমের মা জোসনা বেগম জানান, “ভণ্ড কবিরাজের ফাঁদে পড়ে আমার তিনটি পরিবার ভেঙে গেছে। আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইদ্দিস মিয়া বলেন, “ঘটনা সম্পর্কে আমরা জেনেছি। দুই পক্ষকে ডেকে সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মেয়েপক্ষ আসেনি।”

ঘটনার বিষয়ে জানতে কবিরাজ কুদ্দুস মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

দেবিদ্বার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন বলেন, “ভিক্টিমের মায়ের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা মিললে অভিযুক্ত কবিরাজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd