1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন

বাঁশখালীর হযরত ডেপুটি শাহ মুহাম্মদ বদিউল আলম (রহ.)-এর ৯৫তম ওফাত দিবস আজ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬
  • ১২ সময়

বাঁশখালীর হযরত ডেপুটি শাহ মুহাম্মদ বদিউল আলম (রহ.)-এর ৯৫তম ওফাত দিবস আজ

 

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

 

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত দার্শনিক, লেখক, সাংবাদিক, সমাজসংস্কারক ও ব্রিটিশবিরোধী চিন্তাবিদ হযরত ডেপুটি শাহ মুহাম্মদ বদিউল আলম (রহ.)-এর ৯৫তম ওফাত দিবস আজ, ১ জুন।

ভারত উপমহাদেশের গৌরব খ্যাত চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালীর এ কৃতিসন্তান ১৮৫৬ সালের ২১ জুলাই চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জাফর আলী হিলে জন্মগ্রহণ করেন এই ক্ষণজন্মা মনীষী। তিনি ছিলেন তৎকালীন সরকারি উকিল ও জমিদার জাফর আলী খানের পৌত্র এবং খান বাহাদুর মৌলানা আনওয়ার আলী খানের পুত্র। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে চট্টগ্রাম সরকারি স্কুল, কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।

শিক্ষাজীবন শেষে তিনি ব্রিটিশ সরকারের ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তবে জাতীয়তাবাদী চিন্তা ও ব্রিটিশবিরোধী অবস্থানের কারণে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে চাকরিচ্যুত হন। পরবর্তীতে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে পুনরায় স্বপদে বহাল হন।

হযরত শাহ মুহাম্মদ বদিউল আলম (রহ.) ছিলেন উপমহাদেশের মুসলমানদের প্রথম ইংরেজি সংবাদপত্র “দি মোহামেডান অবজারভার”-এর সম্পাদক। তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ব্রিটিশ শাসনের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল। এ কারণে পত্রিকাটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং তাঁকে কারাবরণও করতে হয়।

তিনি ১৯১৪ সালে বিশ্বখ্যাত গ্রন্থ “What is Man” রচনা করেন, যা মানবতা, ধর্ম ও দর্শন বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণামূলক কাজ হিসেবে বিবেচিত। তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ আজও বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার বিষয় হিসেবে অধ্যয়ন করা হচ্ছে বলে জানা যায়।

আধ্যাত্মিক জীবনেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। তিনি ঐতিহ্যবাহী মির্জাখীল দরবার শরীফের অন্যতম খলিফা এবং তরিকায়ে জাহাঙ্গীরিয়ার একজন বিশিষ্ট সাধক ছিলেন। দ্বীন, মানবতা ও নৈতিকতার শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে তিনি আজীবন কাজ করেছেন।

১৯৩১ সালের ১ জুন (১৪ মহররম ১৩৫০ হিজরি) নিজ গ্রাম বাঁশখালীর কালিপুরের ইজ্জতনগরে ইন্তেকাল করেন এই মহান মনীষী। তাঁর মাজার শরীফে প্রতিবছর অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ী জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন।

ওফাত দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠন তাঁর কর্মময় জীবন, অবদান ও আদর্শ স্মরণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd