1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন

মুফতি ইসমাইল সিরাজী’র আহ্বান: বিজয় দিবসের চেতনা ধারণ করে ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তুলতে ইসলামকে বিজয়ী করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২ সময়

মুফতি ইসমাইল সিরাজী’র আহ্বান: বিজয় দিবসের চেতনা ধারণ করে ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তুলতে ইসলামকে বিজয়ী করুন

 

নিজস্ব প্রতিনিধি:

 

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফতুল্লা থানা শাখার উদ্যোগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক বিশাল ও বর্ণাঢ্য বিজয় র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকেলে অনুষ্ঠিত এ র‍্যালীতে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফতুল্লা থানার সংগ্রামী সভাপতি মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন থানা সেক্রেটারি মুহাম্মাদ জোবায়ের হোসাইন।

 

র‍্যালীতে প্রধান অতিথি ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, জননেতা মুফতি ইসমাইল সিরাজী। এছাড়াও কর্মসূচিতে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

 

বিকেল ৪টার দিকে ফতুল্লার পঞ্চবটি এলাকা থেকে বিজয় র‍্যালীটি শুরু হয়ে চাষাড়া এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চাষাড়া গোলচত্বরে এসে শেষ হয়। র‍্যালীতে অংশগ্রহণকারী শতশত নেতাকর্মী হাতে লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা বহন করে বিজয় দিবসের চেতনায় উদ্দীপ্ত স্লোগানে মুখর করে তোলে পুরো এলাকা। শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই র‍্যালী সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

 

র‍্যালী শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান বক্তার বক্তব্যে মুফতি ইসমাইল সিরাজী বলেন, “বিজয়ের ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল, তা আজও বাস্তবায়িত হয়নি। স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু আজ বাস্তবতা হলো—দেশের কোথাও প্রকৃত সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত হয়নি।”

 

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমরা দেখছি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে ক্ষমতায় যায়, কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে সেই চেতনার বাস্তবায়ন তো করেই না, বরং জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে। ক্ষমতাসীনদের আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিণত হয়েছে। জনগণ আর এই ধোঁকাবাজি দেখতে চায় না। বাংলাদেশের মানুষ এখন প্রকৃত পরিবর্তন চায়, আর সেই পরিবর্তনের সময় এখনই।”

 

বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিজয় দিবসের চেতনা ধারণ করে ইনসাফভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র এবং বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে ইসলামকে বিজয়ী করতে হবে।”

 

এ সময় তিনি সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ উসমান হাদীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মুফতি ইসমাইল সিরাজী বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পরও যদি জুলাই যোদ্ধারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। সরকারের আচরণে আমরা গভীরভাবে শঙ্কিত। অবিলম্বে উসমান হাদীর ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।”

 

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলাম বলেন, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি ন্যায় ও নীতিভিত্তিক সংগঠন। আমরা আদর্শ ও নীতির প্রশ্নে আপসহীন। এটিকে যদি কেউ আমাদের দুর্বলতা মনে করে, তবে সেটি ভুল ধারণা। সরকার যদি আমাদের নীতিকে দুর্বলতা হিসেবে ধরে নেয়, তাহলে তা ভবিষ্যতের জন্য শুভ লক্ষণ হবে না।”

 

তিনি আরও বলেন, “দেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে হলে অবশ্যই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।”

 

র‍্যালীতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ফতুল্লা থানার সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আমান উল্লাহ, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুহাম্মাদ মাসুদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব রুবেল হোসাইনসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।

 

শেষে দেশ, জাতি ও গণতন্ত্রের কল্যাণ কামনায় দোয়ার মাধ্যমে কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd