1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

‎রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আবারো ইতিহাস গড়ল 

‎ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
  • ৬ সময়

‎রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আবারো ইতিহাস গড়ল

‎ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাটঃ

‎চলতি বছরের এপ্রিলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। তীব্র তাপপ্রবাহ ও বাড়তি চাহিদার মধ্যেও কেন্দ্রটি মাসজুড়ে ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।

‎রোববার (৩ মে) বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯ শতাংশেরও বেশি একাই সরবরাহ করেছে কেন্দ্রটি, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

‎এপ্রিল মাসজুড়ে তীব্র দাবদাহের মধ্যেও কেন্দ্রটি গড়ে প্রায় ৮০ শতাংশ প্লান্ট লোড ফ্যাক্টর (পিএলএফ) বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে মাসের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছালে কেন্দ্রটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন অব্যাহত রেখে জাতীয় গ্রিডের স্থিতিশীলতা ধরে রাখে। এ নিয়ে পঞ্চমবারের মতো এক মাসে ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাইলফলক স্পর্শ করল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র।

‎ধারাবাহিক এ সাফল্য কেন্দ্রটির নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্ষমতা ও নির্ভরযোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও কেন্দ্রটি অত্যাধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে নির্মিত। উন্নত ফ্লু গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন (এফজিডি) প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে পরিবেশগত মানদণ্ড বজায় রেখেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী বলেন, সর্বোচ্চ চাহিদার সময় প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্র পরিচালনা করা শক্তিশালী নকশা ও দক্ষ জনবলের ফল।

‎এটি দুই দেশের সফল সহযোগিতার একটি উদাহরণ। বর্তমানে ভারতের এনটিপিসির তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাংলাদেশি প্রকৌশলীরাই কেন্দ্রটির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা দেশের নিজস্ব কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হচ্ছে। জ্বালানি উৎসের বহুমুখীকরণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd