1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন

সদরপুরে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
  • ০ সময়

সদরপুরে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ

ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার

কারীরহাট এলাকায় অবস্থিত ৩৩ নং ডিক্রির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের সরকারি মালামাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সদ্য সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান অবসর গ্রহণের পর বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ও অবকাঠামো থেকে বেশ কিছু সরকারি সম্পদ নিখোঁজ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে রূপসী বাংলা টিভির প্রতিনিধি দল সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে অনুসন্ধান পরিচালনা করেন। অনুসন্ধানে অভিযোগের আংশিক সত্যতা পাওয়া যায়। দেখা যায়— বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে থাকা একটি সিলিং ফ্যান,একটি বাদ্যযন্ত্র ঢোল, একটি জাতীয় পতাকা দণ্ড, বাথরুমের একটি কমোড প্যান, এবং প্রায় ৩০ পিস বেঞ্চের লোহার ফ্রেম বিদ্যালয়ে পাওয়া যায় নাই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান দায়িত্ব ছাড়ার সময় বিদ্যালয়ের অনেক মালামাল সরিয়ে নিয়েছেন ।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনাটি জানাজানি হলে, সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান বিদ্যালয় থেকে আত্মসাৎ কৃত মালামাল এর মধ্যে একটি আলমারি, একটি ক্যাবিনেট, একটি এস এস – এর মই ফেরৎ দেন। কিন্তু অন্যান্য মালামাল এখনো ফেরৎ পাওয়া যায় নাই।

তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক হাবিবুর এই সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কোনো সরকারি মালামাল নিইনি; বিদ্যালয়ের কিছু জিনিস আগে থেকেই নষ্ট ছিল।” এবং আমি যেভাবে পেয়েছি সেভাবেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে বুঝিয়ে দিয়েছি।স্থানীয় রাজনৈতিক কারণে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ষড়যন্ত্র চলছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালামাল আত্মসাৎ শুধু অনৈতিকই নয়, এটি সরকারি সম্পদ অপচয় ও শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি আস্থাহানিকর। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হলে এ ধরনের ঘটনা অন্য বিদ্যালয়েও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আ: রাজ্জাক মোল্যা বলেন সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিবুর রহমান স্যার আমাকে যেভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন আমি সেভাবে বুঝে নিয়েছি অতীতের কোন তথ্য আমার জানা নাই।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জিল্লুর রহমান বলেন বিদ্যালয় থেকে আমরা লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তাহার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd