1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:১৫ অপরাহ্ন

আ. লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার আহসানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১ Time View

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ব্যারিস্টার আহসান হাবিব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আদালতে হাজির না হওয়ায় এই পরোয়ানা জারি করা হয়ে বলে জানান বাদীপক্ষের আইনজীবী রিদওয়ান হোসেন রবিন।

 

আজ রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এ পরোয়ানা জারি করেন।

 

মামলার সূত্রে জানা গেছে, আয়েশা আতিকের সঙ্গে পরিবারের অগোচরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আহসান হাবিব।

 

আয়েশা আতিক ২০২৪ সালের এপ্রিলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে আহসান হাবিবের পরিবারের সঙ্গে একত্রে বসবাস শুরু করেন আয়েশা। তিনি বুঝতে পারেন আহসান হাবিবের অনেক মেয়ের সঙ্গে মেলামেশা আছে। সন্তান প্রসবের জন্য আয়েশা ২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর আহসান হাবিবের পরিবারের সঙ্গে ব্যাংককে যান।

গত বছরের ১ জানুয়ারি তাদের পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। সুস্থ হয়ে ১২ জানুয়ারি তারা ঢাকা ফিরে আসেন। এর পর থেকে আহসান হাবিবের পরিবার আয়েশাকে মানসিক অত্যাচার শুরু করে।

আয়েশা তার বাবাকে বলেন, যেন তাকে নিয়ে যায়।

 

দুগ্ধপোষ্য সন্তানকে রেখে তাকে ২৭ জানুয়ারি চলে যেতে বলে আহসান হাবিব ও তার পরিবার। এর দুই দিন পর আয়েশাকে সন্তানসহ বের করে দেওয়া হয়। তবে তার গহনা, ক্যামেরা, মূল্যবান জিনিসপত্র রেখে দেয়।

গত বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি আয়েশা জানতে পারেন, তাকে পাগল সাজিয়ে দুগ্ধপোষ্য সন্তানকে সম্পূর্ণ কাস্টডিতে নিতে চায়। বিষয়টি জেনে, ব্যাংককে সে যে সাইক্রোটস্ট দেখিয়েছিল তার সঙ্গে যোগাযোগ করে মেডিক্যাল তথ্য দিতে বারণ করেন।

 

তবে আহসান হাবিব গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, অথারাইজেশন লেটার ও আয়েশার পাসপোর্টের ফটোকপিতে সাইন জালিয়াতি করেন। যা দিয়ে ২২ ফেব্রুয়ারি পোস্টমর্টাম ব্লুজের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করেন। গত বছরের ৬ এপ্রিল আয়েশা আহসান হাবিবকে তালাকের নোটিশ দেন। নোটিশ পেয়ে আহসান হাবিব দাম্পত্য জীবন পুনরুদ্ধারে ৩০ জুলাই পারিবারিক আদালতে মামলা করেন।

এদিকে গত বছরের ২১ অগাস্ট থেকে ২৫ অগাস্ট পর্যন্ত আহসান হাবিব ব্যাংককে অবস্থান করে সামিটিভেজ হাসপাতাল থেকে আবার একটি পোস্টমর্টাম ব্লুজ/ডিপ্রেশনসহ মানসিক রোগের সার্টিফিকেট জোগাড় করে তা আদালতে দাখিল করেন।

 

এ ঘটনায় আয়েশার বাবা ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহ আতিকুর রহমান গত বছরের ১৬ অক্টোবর আদালতে মামলা করেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, গত বছরের ১২ জানুয়ারি থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত আয়েশা ব্যাংককে যাননি। মামলায় আহসান হাবিবের বাড়ির ম্যানেজার রিপন ও সাইফুল ইসলামকেও আসামি করা হয়। জাল-জালিয়াতিতে সাক্ষী হিসেবে তাদের দুজনের নাম ছিল।

 

আদালত অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে সিআইডি পুলিশকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলে। আহসান হাবিবের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে সিআইডি পুলিশের এসআই আবুল কালাম আজাদ গত ১৩ জানুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। তবে রিপন ও সাইফুলের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মেলেনি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত সিআইডি পুলিশের দেওয়া প্রতিবেদন গ্রহণ করে আহসান হাবিবকে ৫ এপ্রিল আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। তবে তিনি আদালতে হাজির হননি। এ জন্য আদালত আজ তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd