
নান্দনিক রূপে সাজানো খুলনা টিটিসি: শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন দিগন্ত, প্রিন্সিপালের দূরদর্শী নেতৃত্বে বদলে গেছে চিত্র
স্টাফ রিপোর্টার মো: মোশারফ হোসেন | ৩ মে, রবিবার ২০২৬
খুলনার টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) আজ আর শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি এখন আধুনিক কারিগরি শিক্ষার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সুপরিকল্পিত উন্নয়ন, নান্দনিক সৌন্দর্য ও মানসম্মত শিক্ষার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে, যা ইতোমধ্যেই এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
এই অভূতপূর্ব পরিবর্তনের পেছনে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল মোঃ জিয়াউর রহমান। তার দক্ষ নেতৃত্ব, পরিকল্পনা এবং নিরলস পরিশ্রমের ফলে টিটিসি খুলনা আজ একটি সুসজ্জিত, পরিচ্ছন্ন ও মনোরম শিক্ষাঙ্গনে পরিণত হয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন।
প্রিন্সিপাল দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানে এসেছে শৃঙ্খলা, আধুনিকতা ও গুণগত পরিবর্তন। শ্রেণিকক্ষগুলোকে আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বর্ধনের মাধ্যমে একটি আদর্শ শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি এখন সত্যিই একটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও যুগোপযোগী করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শুধু সার্টিফিকেট অর্জনেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং বাস্তব জীবনে কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠছে।
প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে প্রিন্সিপাল মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন,
“আমাদের লক্ষ্য শুধু পাঠদান নয়, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা এখানে থেকে বাস্তবমুখী জ্ঞান অর্জন করে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখুক। একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
এই প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক, চ্যানেল এস সেভেন-এর চেয়ারম্যান এবং ‘দৈনিক ঢাকার সময় পত্রিকার” সম্পাদক শেখ শাহিন তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন,
“আমি গর্বিত এমন একটি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে পড়াশোনা করে। আজ আমি ধন্য। প্রতিষ্ঠানের বর্তমান উন্নয়ন আমাকে মুগ্ধ করেছে।”
তিনি এ উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
সব মিলিয়ে, খুলনা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার এখন একটি অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, যেখানে আধুনিক শিক্ষা, নান্দনিক পরিবেশ এবং দক্ষ নেতৃত্ব একসঙ্গে কাজ করে একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।
Leave a Reply