1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন

নিম্ন আয়ের মানুষের শীতের ভরসা ফরিদপুর সদরপুরের ফুটপাত

মোঃ টোকন শেখ ফরিদপুর প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ০ সময়

মোঃ টোকন শেখ ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি 

 

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফরিদপুরের সদরপুরে নিম্ন আয়ের মানুষের উদ্বেগও বাড়ছে। সীমিত আয়ের কারণে পরিবারের সদস্যদের শীত থেকে রক্ষা করতে শহরের ফুটপাতই এখন তাদের প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে। বিপণিবিতানের শীতবস্ত্রের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে কম দামে ফুটপাতের দোকান ও ভ্যান থেকে শীতের পোশাক কিনছেন। তবে এখানেও অনেকের বাজেটের সঙ্গে কাপড়ের দামের মিল পাওয়া যাচ্ছে না।

 

সরেজমিনে সদরপুর উপজেলার আটরশি মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বাহারি শীতবস্ত্র সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। শীতের চাহিদা বাড়ায় তারা বিভিন্ন ধরনের পোশাক এনেছেন। ফুটপাতে সারিবদ্ধভাবে বসেছে ১৫ থেকে ২০টি অস্থায়ী পুরাতন শীতবস্ত্রের দোকান। এসব দোকানে ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০/১ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে সোয়েটার, কোট, হুডি, চাদর, গেঞ্জি, মোজা, কানটুপি ও মাফলারসহ নানা ধরনের শীতের পোশাক।পুরাতন শীতবস্ত্রের বেচাকেনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

আটরশি মোড়ের ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ী আজম খান জানান, তাদের কাছে পুরাতন বেল্টের মাল রয়েছে। দেশি-বিদেশি নানা ধরনের শীতের পোশাক এখানে পাওয়া যায়।আরেক ব্যবসায়ী সরোয়ার হোসেন জানান, বছরে মাত্র তিন মাস তারা এই পুরাতন শীতের কাপড় বিক্রি করেন।শুরুতে বেচাকেনা কম থাকলেও কয়েকদিন ধরে শীত বাড়ায় এখন ক্রেতার ভিড় বেড়েছে।

ফুটপাত থেকে শীতের পোশাক কিনতে আসা অটোরিকশাচালক রাজু জানান, তিনি ৩০০ টাকায় একটি জ্যাকেট কিনেছেন, যা দিয়েই এবছর শীত পার করবেন। তার মতো গরিব মানুষের জন্য ফুটপাতের কাপড়ই সবচেয়ে ভালো, কারণ দাম তুলনামূলক কম।

 

আরেক শ্রমজীবী রোকন জানান, দরদাম করে তিনি তার সন্তানের জন্য ১৫০ টাকায় একটি সোয়েটার কিনেছেন। ধুয়ে ও আয়রন করলেই সেটি নতুনের মতো হয়ে যাবে বলে জানান তিনি।তার মতে, শ্রমজীবী মানুষের জন্য ফুটপাতই সবচেয়ে বড় ভরসা।

সদরপুর স্টেডিয়াম সংলগ্ন সড়কের পাশে ফুটপাতের দোকানদার আমীর হোসেন বলেন, ‘এবছর এক মাস দেরিতে বেচাকেনা শুরু হয়েছে। তার দোকানে সব বয়সী মানুষের শীতের পোশাক রয়েছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, শীত যত বাড়বে, বিক্রিও তত বাড়বে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd