1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন

নিরপেক্ষ ভোটে প্রশাসন সজাগ।

প্রধান বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক- জাহারুল ইসলাম জীবন
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ০ সময়

নিরপেক্ষ ভোটে প্রশাসন সজাগ।

প্রধান বার্তা সম্পাদক ও প্রকাশক- জাহারুল ইসলাম জীবন এর বিশেষ অনুসন্ধানী নিউজ প্রতিবেদন।

বিশেষ নির্বাচনী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন:>পর্ব-২

২৮ জানুয়ারি ২০২৬

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায় হতে যাচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন। বিগত নির্বাচনগুলোর গ্লানি মুছে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও জালিয়াতিমুক্ত ভোট উপহার দিতে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন (ইসি) এখন সমর সজ্জায়। প্রথমবারের মতো ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষে সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে জাতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা সামলাতে কমিশন এক নজিরবিহীন প্রযুক্তিগত বলয় তৈরি করেছে।

**১. জিরো টলারেন্স ও ডিজিটাল ডেটাবেজ:- নির্বাচন কমিশন এবার প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার নিয়োগে কোনো রাজনৈতিক সুপারিশ গ্রহণ না করে একটি কেন্দ্রভিত্তিক ডিজিটাল ডেটাবেজ ব্যবহার করছে। প্রায় ৮ লাখ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার তথ্য এই ডেটাবেজে সংরক্ষিত। ইসি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা লঙ্ঘনের সামান্যতম অভিযোগ উঠলে তাকে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করে নির্বাচনী অপরাধ আইনে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। কমিশনের এই ‘কঠোর ইমেজ’ মাঠপর্যায়ে আমলাতন্ত্রের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

**২. রিয়েল-টাইম মনিটরিং ও ৪৩ হাজার কেন্দ্র:- নির্বাচন ভবনে স্থাপিত একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কন্ট্রোল রুম থেকে সারা দেশের ৪২,৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রের কার্যক্রম সরাসরি মনিটর করা হবে। কোনো কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয় সংকেত চলে যাবে নিকটস্থ স্ট্রাইকিং ফোর্সের কাছে। প্রযুক্তির এই ব্যবহার ভোট জালিয়াতির প্রথাগত পথগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। ইসি সচিবালয় জানিয়েছে, এবারই প্রথম ভোটাররা তাদের ভোট প্রদানের আপডেট তথ্য নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই জানতে পারবেন।

**৩. নিরাপত্তার ত্রিমাত্রিক বলয় ও সশস্ত্র বাহিনী:- ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আনতে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাত দিনের জন্য সশস্ত্র বাহিনী (In Aid to Civil Power) মোতায়েন করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি এবং প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার আনসার সদস্য তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় নিশ্চিত করবে। গুরুত্বপূর্ণ বা ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ ক্লোজ সার্কিট (CCTV) ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে, যা প্রশাসনের কার্যক্রমে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনছে।

বিশেষ পর্যবেক্ষণ:- প্রযুক্তির সমন্বয় ও প্রশাসনের কঠোর অবস্থান সত্ত্বেও জনমনে প্রশ্ন রয়ে গেছে-অদৃশ্য কোনো রাজনৈতিক চাপ কি শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষতাকে বাধাগ্রস্ত করবে? তবে ইসির দাবি, দেশি-বিদেশি ৫৬ হাজার পর্যবেক্ষকের উপস্থিতি এবং কঠোর আইনি কাঠামো এবার কোনো ধরণের আপস করার সুযোগ রাখবে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd