1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা–এ সরকারি খাল থেকে অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ০ সময়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর উপজেলা–এ সরকারি খাল থেকে অবৈধ মাটি কাটার অভিযোগ

টেন্ডার ছাড়াই দিন-রাত ভেকু ও ট্রাক্টর চলাচল; পরিবেশ ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিজয়নগরের মনিপুর–কল্যাণপুর ব্রিজসংলগ্ন সরকারি খাল থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কোনো প্রকার সরকারি টেন্ডার বা অনুমোদন ছাড়াই দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এবং রাতের অন্ধকারে ভেকু (এক্সকাভেটর) ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে খালের তলদেশ ও পাড় থেকে মাটি অপসারণ করা হচ্ছে।

অভিযোগে বলা হয়, কল্যাণপুর–মনিপুর এলাকার দুই ব্যক্তি—হযরত আলী ও মন মিয়া—দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বললেও কোনো সুরাহা হয়নি; বরং জোরপূর্বক মাটি কাটা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন কৌশলে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে কাজ চালানোর অভিযোগও রয়েছে।

খাল ও সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে উদ্বেগ

মনিপুর–কল্যাণপুর ব্রিজের নিচ দিয়ে প্রবাহিত খালটি স্থানীয় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অতিরিক্ত মাটি কাটার ফলে কয়েকটি স্থানে ভাঙনের লক্ষণ দেখা দিয়েছে বলে দাবি করেছেন বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, এভাবে খালের তলদেশ ও পাড় দুর্বল হয়ে পড়লে ব্রিজসংলগ্ন সড়ক ধসে পড়া বা আশপাশের বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, “দিন-রাতে ট্রাক্টর চলছে। খালের পাড় নিচু হয়ে যাচ্ছে। বর্ষা এলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

আরেকজনের মন্তব্য, “মাটি কেটে নেওয়ায় পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। এতে কৃষিজমি ও ঘরবাড়ি ক্ষতির মুখে পড়বে।”

প্রশাসনের বক্তব্য

এ বিষয়ে স্থানীয় পত্তন ভূমি অফিসের এক সহকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে অফিস খোলার পর বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

এলাকাবাসীর দাবি

সরকারি সম্পদ রক্ষা ও সম্ভাব্য পরিবেশগত বিপর্যয় এড়াতে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রধান দাবিগুলো হলো—

অবিলম্বে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধ করা

জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ

ক্ষতিগ্রস্ত খাল ও সড়ক পুনর্বাসন

নিয়মিত নজরদারি ও তদারকি জোরদার

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কার্যকর মনিটরিং ও কঠোর প্রয়োগ না থাকলে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা কঠিন। তাই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd