মাদকবিরোধী অভিযানে কঠোর কটিয়াদী ওসি, তৎপরতা থামাতে অপপ্রচারের অভিযোগ!
মোঃজোনায়েদ হোসেন জুয়েল
ষ্ট্যাফ রিপোর্টার,
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী মডেল থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাদক, চুরি, ছিনতাই, জুয়া ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন মোঃ রফিকুল ইসলাম।
গত ৪ এপ্রিল ২০২৬ দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে মাদকদ্রব্য, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি একাধিক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
বিশেষ করে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান, মাদক উদ্ধার ও সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে মাদক কারবারের বিরুদ্ধে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তবে পুলিশের এই ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার হওয়ার পর ওসি রফিকুল ইসলামকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পুলিশের মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা কিংবা কথিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওসির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রমাণসহ উপস্থাপন এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করাই আইনসম্মত পদ্ধতি।
সচেতন মহলের প্রশ্ন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করাই যদি পুলিশের দায়িত্ব হয়, তাহলে সেই অভিযানকে থামাতে কিংবা প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপপ্রচারের আশ্রয় নেওয়ার প্রয়োজন কেন?
স্থানীয়দের মতে, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পুলিশের তৎপরতা কোনোভাবেই থেমে যাওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা যেকোনো অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
ওসি মোঃ রফিকুল ইসলামের বক্তব্য, মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত কটিয়াদী গড়তে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।
সচেতন নাগরিকদের প্রত্যাশা, কোনো চাপ, অপপ্রচার কিংবা স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে কটিয়াদীর মাদকবিরোধী অভিযান যেন বাধাগ্রস্ত না হয়।
অভিযান থামবে না, অপপ্রচারে নতি স্বীকার নয়—আইনের আওতায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি কটিয়াদীবাসীর।