1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন

হলোখানা ইউনিয়নের উন্নয়নের কাণ্ডারি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম: বদলে যাচ্ছে জনপদ

মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি 
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ০ সময়

হলোখানা ইউনিয়নের উন্নয়নের কাণ্ডারি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম: বদলে যাচ্ছে জনপদ

 

মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

 

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হলোখানা ইউনিয়নটি ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা চড়াই-উতরাই পার করেছে। তবে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম (রেজা) বিপুল জনসমর্থন নিয়ে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এই ইউনিয়নে উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত সূচিত হয়েছে। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে গ্রামীণ অবকাঠামো থেকে শুরু করে সামাজিক নিরাপত্তা—সবক্ষেত্রেই বইছে পরিবর্তনের হাওয়া।

 

চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মো. রেজাউল করিম অগ্রাধিকার দিয়েছেন যাতায়াত ও অবকাঠামো উন্নয়নে। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে টিআর, রাঙামাটি কাজীপাড়া এবং খোচবাড়ি গ্রামেও এডিপি (ADP) এবং এলজিএসপি (LGSP) প্রকল্পের আওতায় ব্যপক উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হয়েছে: কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ ও ইটের সলিংয়ের মাধ্যমে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

 

কৃষিপণ্য পরিবহণ ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিভিন্ন পয়েন্টে ছোট-বড় সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং গুণগত মান নিশ্চিত করে তিনি এলাকায় সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

 

হলোখানা ইউনিয়নের চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযুদ্ধ অত্যন্ত কঠিন। ধরলা নদীর ভাঙন রোধ এবং নদী শাসনের মাধ্যমে চরাঞ্চলবাসীর মোহাম্মদ জয়নাল নামে ৫০ বছরের বৃদ্ধ বলেন জানমাল রক্ষায় চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিকভাবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। চরের মানুষের মাঝে সোলার প্যানেল বিতরণ এবং যাতায়াতের পথ সুগম করার মাধ্যমে তাদের জীবনমান আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে।

 

জমি সংক্রান্ত বিরোধ এবং পারিবারিক সমস্যা নিরসনে চেয়ারম্যানের নিরপেক্ষ ভূমিকা স্থানীয় মহলে ব্যাপক প্রশংসিত। গ্রামের আরডিআরএস বাজারে মমিন বলেন আদালতের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা ছোট-বড় সমস্যাগুলো তিনি সমাধান করে দিচ্ছেন। এতে করে সাধারণ মানুষকে আর কোর্ট-কাছারিতে দৌড়াতে হচ্ছে না, সাশ্রয় হচ্ছে অর্থ ও সময়।

 

হলোখানা ইউনিয়নকে একটি সুস্থ ও সুশৃঙ্খল সমাজ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়ারম্যান রেজাউল করিম ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছেন: তরুণদের বিপথগামিতা রুখতে তিনি নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা এবং খেলাধুলার আয়োজনে উৎসাহিত করছেন। বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে প্রতিটি গ্রামে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। তার কঠোর নজরদারিতে এই ইউনিয়নে বাল্যবিবাহের হার নেই বললেই চলে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চেয়ারম্যান রেজাউল করিম (রেজা) সব সময় সাধারণ মানুষের জন্য অবারিত। সরকারি সুযোগ-সুবিধা যেমন—বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতা বিতরণে তিনি শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছেন। কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই প্রকৃত অভাবী মানুষেরা আজ তাদের প্রাপ্য সুবিধা পাচ্ছেন।

 

হলোখানা ইউনিয়নের এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত থাকলে এটি জেলা পর্যায়ে অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ ইউনিয়নে পরিণত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় জনসাধারণের। চেয়ারম্যান বলেন মৃত্যুর স্বাদ সবার গ্রহণ করতে হবে ৭ নং ওয়ার্ডের আরাজি পলাশবাড়ী মৌজার কবরস্থান গামী কাঁচা রাস্তাটি আরসিসি ঢালাই করেছেন চেয়ারম্যান বলেন ইউনিয়নের উন্নয়ন করাই আমার কাজ জনসাধারণ মানুষের সেবা করেই আমি পাশে থাকতে চাই

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd