
তরী বাংলাদেশ সরাইল শাখার উদ্যোগে সাংগঠনিক সভা ও ইফতার মাহফিল
আব্বাস উদ্দিন:জেলা প্রতিনিধি(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ‘তরী বাংলাদেশ’ সরাইল উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংগঠনের সাংগঠনিক সভা ও ইফতার মাহফিল। বৃহস্পতিবার ১৯শে মার্চ বাদ আছর সরাইল উপজেলা চত্বরের বাংলা ক্যাফে এন্ড রেস্টুরেন্টে শিক্ষক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের লোকজন ও তরী পরিবারের সদস্যবৃন্দ নানা শ্রেণি-পেশার লোকজনের অংশগ্রহণে ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ। তরী সরাইল শাখার সদস্য সচিব শাহগীর মৃধার সঞ্চালনায় ও আহ্বায়ক সরাইল মহিলা কলেজের প্রভাষক মোহাম্মদ মাহবুব খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- তরী বাংলাদেশের আহবায়ক শামীম আহমেদ,অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিবিদ মো. আনিছুল ইসলাম ঠাকুর, সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মো. এনাম খান, সাবেক আমীর মাওলানা কুতুব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুজ্জামান জাবেদ, ত্রিতাল সংগীত নিকেতনের অধ্যক্ষ লেখক গবেষক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সঞ্জীব কুমার দেবনাথ, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক ও সরাইল প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী সদস্য এম. এ মুসা, কালীকচ্ছ পাঠশালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম মানিক, সরাইল প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার শফিকুল ইসলাম সেলু,, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. সামছুল আলম, উপজেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্বাসউদ্দীন, সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম রিপন, শেখ মো. ইব্রাহিম, তারিকুল ইসলাম দুলাল প্রমুখ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন তরী বাংলাদেশ আহবায়ক কমিটির সদস্য খায়রুজ্জামান ইমরান, সোহেল রানা ভূঁইয়া, শিপন কর্মকার। তরী বাংলাদেশ ঢাকা দক্ষিণের সদস্য মো. সফিউল আলম সুমন।
প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য বক্তারা বলেন, তরী সরাইল শাখার কাজগুলো অবশ্যই জনহিতকর ও প্রশংসনীয়। নদী, খাল, বিল, হাওর, বাওর এগুলো প্রকৃতি প্রদত্ত। নিজেদের স্বার্থে এগুলোকে ধ্বংস ও শ্রেণি পরিবর্তন করা মানে পরিবেশকে ধ্বংস করে দেওয়া। জীববৈচিত্র্যকে নিজ হাতে কবর দেওয়া। ফলে পরিবেশ প্রকৃতিগতভাবেই তার ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। ফলে দেখা দেয় ঝড়, খরা, বন্যা নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ফসল বিনষ্ট, মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। কৃষক ও কৃষি ফসলের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাসযোগ্য একটি পৃথিবী দিতে হলে এসব কাজ থেকে সমাজের সকল মানুষকে বিরত থাকতে হবে। তাই নদী, প্রকৃতি সুরক্ষার সামাজিক আন্দোলন সফল করার কোনো বিকল্প নেই। আসুন সকলে মিলে পরস্পরের সহায়তায় তরীর কার্যক্রমকে বাস্তবায়নের চে6ষ্টা করি। কৃষক বাঁচাই, প্রকৃতি বাঁচাই, নদী খাল রক্ষা করি, দেশ বাঁচাই।
Leave a Reply