
নরসিংদী আনন্দ উৎসবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন
অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার:
পহেলা বৈশাখ বাংলা নতুন বছরের শুরু বাঙালির জীবনের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে। পহেলা বৈশাখের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলা নতুন বছর। বাঙালির সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আবেগের সাথে গভীর ভাবে মিশে আছে। পহেলা বৈশাখ শুধু সময়ের পরিবর্তন নয়, পুরনো বছরের সব ব্যার্থতা, গ্লানি ও দঃখকে পিছনে ফেলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলা। হালখাতার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা নতুন বছরের হিসাব নিকাশ শুরু করেন।উৎসব মুখর পরিবেশে গ্রামে গ্রামে শুরু হয় বৈশাখী মেলা।
নরসিংদী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা স্বত:স্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে জেলার বিভিন্ন স্কুল -কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজস্ব উদ্যেগে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়। শিক্ষার্থীরা নতুন পোশাক পরে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়। শিক্ষক রাও শিক্ষার্থীদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।
ড. চিত্ত রঞ্জন রায় জানান, পহেলা বৈশাখ মানে শুধু নতুন বছরের শুরু নয়, পহেলা বৈশাখ আমাদের তরুণ প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক শিকড়ের সাথে পরিচয় করে দেয়।
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বসেছে মেলা। পান্তা ইলিশ খাবারের মাধ্যমে বাঙালির বিশেষ পরিচয় ফুটে ওঠে। নারীরা সাদা লাল শাড়ি ও পুরুষেরা পাঞ্জাবি পায়জামা পড়ে উৎসবে অংশ নেন। শতাব্দী পর শতাব্দী ধরে বাঙালির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে পহেলা বৈশাখ পালন করে আসছে।
বাংলা নতুন বছরের শুরু বাঙালির অস্প্রদায়িক চেতন ও সাংস্কৃতি ঐক্যের প্রতীক। পহেলা বৈশাখ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলা ঐতিহ্য ও বাঙালির আত্মপরিচয়। পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা, মানুষের জীবনে আনন্দ, আশা সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে।পহেলা বৈশাখ শিক্ষা ও সামাজিক বন্ধনের মিলন ক্ষেএ। পহেলা বৈশাখ নতুন প্রজন্মের শিকড়ের সাথে যুক্ত থাকে। পহেলা বৈশাখ বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি।
Leave a Reply