1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

কোম্পানীগঞ্জে ফ্যাসিস্টের দোসরদের দাপট: শাহ আরেফিন টিলায় পাথর চাঁদাবাজির মহোৎসব!

সিলেট প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১ Time View

কোম্পানীগঞ্জে ফ্যাসিস্টের দোসরদের দাপট: শাহ আরেফিন টিলায় পাথর চাঁদাবাজির মহোৎসব!

 

সিলেট প্রতিনিধি

 

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও থামেনি পাথরবাহী ট্রাক্টরের চাঁদাবাজি। অভিযোগ উঠেছে, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের দোসররা ভোল পাল্টে প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে শাহ আরেফিন টিলায় এক বিশাল চাঁদাবাজি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা হিসেবে জালিয়ারপাড় গ্রামের মৃত রহিম উল্ল্যার পুত্র আব্দুল করিমের নাম উঠে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল করিম নিজেকে পুলিশ ও প্রশাসনের ‘ঠিকাদার’ বা লাইনম্যান পরিচয় দিয়ে শাহ আরেফিন টিলার অবৈধ পাথর পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, থানা পুলিশ বা প্রশাসনের একটি অংশের সাথে দৈনিক ২৫ হাজার টাকার অলিখিত চুক্তিতে তিনি এই অবৈধ ‘লাইন’ সচল রেখেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, করিমের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ে টাকা তোলার দায়িত্বে রয়েছে বিগত সরকারের আমলের চিহ্নিত কয়েকজন সন্ত্রাসী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি। এদের মধ্যে পাড়ুয়া উজান পাড়া গ্রামের জুলুমবাজ হিসেবে পরিচিত শামীম আহমেদের ভাতিজা ইলিয়াস আলী রাসা (৪৩), স্থানীয় ত্রাস জলাল মিয়ার পুত্র জসিম (৪২), জাহাঙ্গীর এবং শৈবাল শাহরিয়ার সাজন এখন শাহ আরেফিন টিলার পাথর পরিবহনের প্রধান হর্তাকর্তা।

ভুক্তভোগী ট্রাক্টর চালক ও স্থানীয়রা জানান, এই চক্রটি প্রতিদিন শাহ আরেফিন টিলা থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি পাথরবাহী ট্রাক্টর থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করছে। যদি কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করে, তবে তাকে পুলিশি হয়রানি ও শারীরিক নির্যাতনের হুমকি দেওয়া হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ক্ষমতার পরিবর্তন হলেও এই সন্ত্রাসীদের দাপট কমেনি। উল্টো প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে তারা এলাকায় পুনরায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। পুলিশের মৌন সম্মতি বা যোগসাজশ ছাড়া এমন প্রকাশ্য চাঁদাবাজি অসম্ভব বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম অরাজকতা বন্ধ হবে, কিন্তু সিন্ডিকেট শুধু হাতবদল হয়েছে। আব্দুল করিম ও তার বাহিনী এখন বেপরোয়া। প্রশাসনের উচিত অবিলম্বে এই চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তার করে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরানো।”

এই চাঁদাবাজি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং শাহ আরেফিন টিলার সম্পদ লুটেরাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd