1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১২:০৩ অপরাহ্ন

মাগুরায় আরাফাত রহমান কোকোর ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিনিধি খন্দকার নজরুল ইসলাম মিলন
  • Update Time : শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১ Time View

মাগুরায় আরাফাত রহমান কোকোর ১১ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।

 

নিজস্ব প্রতিনিধি

খন্দকার নজরুল ইসলাম মিলন

 

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং বিএনপি’র তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক এবং বর্তমান বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছোট ভাই, আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

 

২৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১ টায় আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে, মাগুরা ভাইনার মোড় আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাব কার্যালয়ে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা -১ আসনের ধানের শীষ মনোনীত প্রার্থী মনোয়ার হোসেন খান ও আরাফাত রহমান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি, সৈয়দ মাহবুব রহমান মিলটন, দোয়া মাহফিলে, মনোয়ার হোসেন খান বলেন, তিনি বলেন অনেক নিপীড়ন, অত্যাচারের মধ্য দিয়ে তিনি ইন্তেকাল করেছিলেন, দেশের মাটিতেও তিনি আসতে পারেননি তারপরেও নানা ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়েও বাংলাদেশে এসেছিলেন লাশ হয়ে, তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরে তার জানাযায় ছিল সবচেয়ে বড় জানাজা এই পরিবার বাইরে একটি জানাজাও বাংলাদেশ তথা সারা পৃথিবীতেও হয়নি যেখানে এত লোকের সমাগম হয়। আমরা নিশ্চয়ই দাবি করি আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাদেরকে ক্ষমা করবেন। আমরা আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাকে গভীরভাবে স্মরণ করি এবং তার জন্য সকলেই দোয়া করি।

 

উল্লেখ্য ,২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি আরাফাত রহমান কোকো মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তার জন্ম ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট। তিনি ২০০৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের চেয়ারম্যান ছিলেন।

 

২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এলে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে মা খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেপ্তার হন কোকো।

 

২০০৮ সালের ১৮ জুলাই চিকিৎসার জন্য সপরিবারে ব্যাংকক যান তিনি। এরপর চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া চলে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেখানেই সপরিবারে বাস করছিলেন। তিনার পরিবারে স্ত্রী শর্মিলা রহমান সহ, দুই কন্যা জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে গেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd