খুলনায় খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার সমিতির কার্যালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ! নেতৃত্বে আলহাজ্ব অহিদুল ইসলাম, আলোচনায় একাধিক নেতা
খুলনা প্রতিনিধি | অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
খুলনা নগরীর খানজাহান আলী রোডে অবস্থিত খুলনা খাদ্য পরিবহন সড়কপথ পরিবহন ঠিকাদার সমিতির কার্যালয়কে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও অভিযোগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, সমিতির কার্যালয়টি আওয়ামী লীগ ও সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। অভিযোগে আলহাজ্ব অহিদুল ইসলামের নেতৃত্বের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, কার্যালয়টির ঠিকানা ৩০৪, খানজাহান আলী রোড, খুলনা এবং নিবন্ধন নম্বর হিসেবে কে এল এন–৯৩৬ উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, কার্যালয়টি বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিরাপদ সাংগঠনিক অবস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে সেখানে কী ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং কারা সরাসরি জড়িত, তা নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আলোচনায় খুলনা ও সাতক্ষীরার একাধিক রাজনৈতিক নেতা
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ প্রসঙ্গে যাঁদের নাম ও পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—
১. মোস্তফা কামাল খোকন — খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।
২. আলহাজ্ব অহিদুল ইসলাম — ২৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং সাতক্ষীরার হাজরা ইউনিয়নের সভাপতি।
৩. নুরে আলম সিদ্দিকী — ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক।
৪. হাফিজুর রহমান — শেখ বাড়ির ক্যাশিয়ার।
৫. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম — সাবেক ছাত্রলীগ নেতা
৬. মোহাম্মদ আলতাফ হোসেন সাবেক সভাপতি ৭ নং ওয়ার্ড খুলনা
৭. আবুল কাশেম — সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ৯ নং ওয়ার্ড আচ্ছা
৮. রিপন হাওলাদার — দৌলতপুর থানা যুবলীগের সাবেক নেতা।
৯. জনাব মাকসুদ আলম খাজা — মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ
১০. মোহাম্মদ সেলিম ওরফে সেলিম রেজা — আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে উল্লেখিত।
সমিতির কার্যালয় কি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র?
একটি পরিবহন ঠিকাদার সমিতির কার্যালয় মূলত সমিতির সাংগঠনিক ও পেশাগত কার্যক্রম পরিচালনার স্থান। সেখানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে নির্ধারণে কার্যালয়ের বাস্তব ব্যবহার, সমিতির অনুমোদন, সংশ্লিষ্ট সভা বা বৈঠকের তথ্য এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।
অভিযোগকারীদের দাবি, কার্যালয়টি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এ কার্যালয়টিতে কোনো দলীয় সভা, সাংগঠনিক বৈঠক কিংবা অন্য রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের জায়গা নয়
নিষিদ্ধ কার্যক্রমের অভিযোগে আইনি প্রশ্ন
আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রমের ওপর প্রযোজ্য সরকারি নিষেধাজ্ঞার আওতা ও বর্তমান আইনি অবস্থান বিবেচনায় নেওয়া জরুরী
এ ক্ষেত্রে সমিতির কার্যালয়টি কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে, কারাম সেখানে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং সমিতির কর্তৃপক্
জানে এবং এই সংগঠনের সাথে জড়িত বর্তমান কমিটি
এটা কোন রাজনৈতিক অফিস নয় এটা সমিতির বর্তমান যারা আছে তাদের জানা উচিত
এটা সর্বদলীয় একটা ঠিকাদার সমিতি
সমিতির নিরপেক্ষ সদস্যরা এর বিপক্ষে মতামত প্রদান করেছেন
তারা উল্লেখ করেছেন
আমাদের খুলনা খাদ্য পরিবহন টিকাদার সমিতি ১৮ সরকার নিবন্ধিত সমিতি
এখানে দলবল নির্বিশেষে সবাই এইখানে একসাথে কাজ করে
কিন্তু বর্তমান সমিতির যারা দায়িত্বে আছে
তারা স্বৈরাচারা আওয়ামী লীগের দোসর এবং প্রত্যেকে আওয়ামী লীগের পদ পদবী ছিল
এখনো তারা সেই আগের স্টাইলে সমিতি চালানোর চেষ্টা করতেছে এবং পায়তারা করতেছে
সমিতির সাধারণ সদস্যরা এটা মেনে নিতে চাচ্ছে না তার একটা সঠিক নির্বাচন চায় নির্বাচনের ভিত্তিতে তারা একজন ভালো মানুষকে সমিতির দায়িত্ব দিতে চায়
নির্বাচনকে নিয়েও রয়েছে নানা ধোঁয়াশা
সাধারণ সদস্যরা বলেন
সমিতিতে গঠনতন্ত্রমূলক কাজ করে
নির্বাচিত একটি কমিটি দেওয়া সমিতির সকল সদস্যের দাবি