1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন

রাষ্ট্রীয় সম্পদ উদ্ধারে এসিল্যান্ডের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে অপপ্রচার: মিথ্যা সংবাদ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা-
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩১ সময়

রাষ্ট্রীয় সম্পদ উদ্ধারে এসিল্যান্ডের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে অপপ্রচার: মিথ্যা সংবাদ ও চাঁদা দাবির অভিযোগ

 

প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা-

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক ও একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ডেমরা সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সরকারি দায়িত্ব পালন ও নামজারি সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। “আদালতের স্থগিতাদেশের মধ্যেই নামজারি, পরে আপিলে বাতিল—আদেশ বাস্তবায়নে গড়িমসির অভিযোগ” এবং “স্থগিতাদেশের পরও নামজারি! ডেমরা সাব-রেজিস্ট্রার রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ”—শিরোনামে প্রকাশিত এসব প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা একপেশে, বিভ্রান্তিকর, তথ্য-উপাত্তের যথাযথ যাচাইবিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

প্রতিবাদে বলা হয়েছে, ডেমরা সার্কেলের সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকারি সম্পত্তি সংরক্ষণ, অবৈধ দখলমুক্তকরণ এবং রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের ক্ষেত্রে তিনি সরেজমিনে অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত সম্পত্তিতে সরকারি সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে রাতের আঁধারে সেই সাইনবোর্ড সরিয়ে ফেলার ঘটনাও ঘটে। এ ধরনের বাস্তব ঘটনাকে আড়াল করে সরকারি কর্মকর্তার বৈধ প্রশাসনিক কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডের অভিযোগ, একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও সিন্ডিকেট রাষ্ট্রীয় সম্পদ উদ্ধারে চলমান প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি এবং তাকে দায়িত্ব পালনে নিরুৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করছে। এমনকি অপসাংবাদিকতার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ প্রচারের পাশাপাশি চাঁদা বা আর্থিক সুবিধা দাবির অভিযোগও উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যথাযথ তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া প্রয়োজন।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকতার প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখেই বলা হচ্ছে—কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে যাচাই-বাছাই ছাড়া অভিযোগ প্রকাশ করা স্বাধীন সাংবাদিকতার অংশ হতে পারে না। একটি অভিযোগ সংবাদে প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথি, আদালতের আদেশ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য যাচাই করা সাংবাদিকতার মৌলিক দায়িত্ব।

সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ড আরও বলেন, “ভালো কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই। সব বাধা অতিক্রম করে রাষ্ট্র ও জনস্বার্থে কাজ করে যাব।” তার ভাষ্য, রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা একজন সরকারি কর্মকর্তার সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের চাপ বা অপপ্রচারের কাছে তিনি নতি স্বীকার করবেন না।

এদিকে, সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ, অপপ্রচার এবং চাঁদা দাবির অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম, সাংবাদিক এবং এর পেছনে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আমরা প্রকাশিত দুটি প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে প্রকৃত ঘটনা, সরকারি নথি ও আদালতের আদেশ যাচাই করে নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের আহ্বান জানাচ্ছি।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা ও উদ্ধারে একজন সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বৈধ কার্যক্রমকে অপপ্রচার, চাপ বা চাঁদা দাবির মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত করার কোনো অপচেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না। সত্য উদঘাটন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ সংরক্ষণ এবং জনস্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd