1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

৪র্থ তম কল্পতরু উৎসব– ১৫ হাজার ভক্তদের ভোগ বিতরণ ও রেশন দান করলেন।

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ। 
  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ০ সময়

৪র্থ তম কল্পতরু উৎসব– ১৫ হাজার ভক্তদের ভোগ বিতরণ ও রেশন দান করলেন।

আজ ১৯শে ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, কলকাতার অরবিন্দ সরণি ও হাতিবাগানের সংযোগস্থলে, রতন সাহার উদ্যোগে, সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত, চতুর্থ তম কল্পতর উৎসব পালিত হল এবং ১৫০০০ ভক্তদের ভোগ বিতরণ ও প্রতিবন্ধীদের রেশন দান করলেন।।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা সুপ্তি পান্ডে, তিনি রামকৃষ্ণ দেবের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে প্রণাম জানান।, এরপর তাহাকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্বর্ধনা জানান। তিনি বলেন একটি সুন্দর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন রতন সাহা, এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই তিনি যেভাবে এই অনুষ্ঠানকে ফুটিয়ে তুলেছেন ভক্তদের সমাগমের সৃষ্টি করেছেন।

সকাল থেকেই শুরু হয় পূজা রচনা, ব্রাহ্মণের মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে পুজিত হয় বাবা রামকৃষ্ণ। সকাল থেকেই ৬ ভক্তদের জীব জমতে থাকে এমনকি পথ চলতি মানুষেরাও এসে জমায়েত হন। জন্য ব্যবস্থা ছিল ভোগ, এমন কি প্রতিবন্ধীদের জন্য রেশনের আয়োজন করেছেন, যেখানে ছিল শাড়ি ,জামা থেকে শুরু করে চাল ডাল মসলা পর্যন্ত।। দূর দুরান্ত থেকে প্রতিবন্ধী ভক্তরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ‌ তাদের হাতে এই সকল দান সামগ্রী তুলে দেন।

অন্যদিকে ভিড় চোখে পড়ার মতো লক্ষ্য করা যায় ভক্তদের, ভোগ খাওয়ার জন্য লাইনের দাঁড়িয়ে শয়ে শয়ে রক্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। কোনরকম ত্রুটি রাখেননি সবার জন্য, ১৫ হাজার লোকের আয়োজন করেছিলেন রতন বাবু,

ভোগের মধ্যে ছিল, বেগুনি, লুচি ,পোলাও ,আলুর দম, মিষ্টি, ডাল, জলের বোতল থেকে শুরু করে অন্যান্য খাবার। লাইন দিয়ে ও সারিবদ্ধ ভাবে সাধারণ মানুষ থেকে ভক্তরা ভোগ গ্রহণ করেন , সত্যিই এমন উদ্যোগ দেখা যায় ক্লাব ও সোসাইটিতে। কিন্তু রতন বাবু চার বছর ধরে এই দিনটিতে যেভাবে রামকৃষ্ণ দেব কে সামনে রেখে শান্তির বাণী ছড়িয়ে চলেছেন সত্যি অকল্পনীয়। পথ চলতি মানুষ থেকে ভক্তরা ভোগ পেয়ে খুশি, কচি কাঁচা থেকে বয়স্করা পর্যন্ত।

রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2019 TV Site
Design By BDit.com.bd