
খিলগাঁও থানাধীন ৩নং ওয়ার্ডের মেরাদিয়া মধ্য পাড়া লাল মিয়া হোটেল সংলগ্ন স্থানীয় সেচ্ছাসেবক লীগ এর সাধারণ সম্পাদক এমরাজ বিন মতিন বাপ্পি কে ঘিরে চাঞ্চল্য—নারী কেলেঙ্কারি, মাদক সংযোগ ও হঠাৎ সম্পদ বৃদ্ধির অভিযোগ তুলেছে এলাকাবাসী
স্টাফ রিপোর্টার:মামুন রেজা
রাজধানীর খিলগাঁও থানার ৩নং ওয়ার্ডে এক স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিকে ঘিরে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ তুলছেন এলাকাবাসী। নারীসংক্রান্ত সম্পর্ক, মাদকসেবন, প্রভাব খাটানো ও হঠাৎ সম্পদ বৃদ্ধির ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এই অভিযোগগুলোর কোনোটি এখনো প্রশাসনের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি, তবে পরিস্থিতি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে অস্বস্তি ও ক্ষোভ বাড়ছে।
নারীসংক্রান্ত বিতর্কে নতুন করে তোলপাড়
এলাকাবাসীর দাবি, ওই নেতার অতীত ও সাম্প্রতিক কিছু নারীর সাথে ঘনিষ্ঠতার গুঞ্জন বহুদিন ধরে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে সম্পতি ইতি,মিদুলা আর ও অনেক মেয়ের সাথে তার সক্ষতা রয়েছে অভিযোগকারীদের ভাষ্য—এই সম্পর্কগুলো কারণে একাধিকবার এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশ্ন উঠেছে—নেতৃত্বের পদে থাকলে ব্যক্তিগত আচরণ কি জনসম্মুখে জবাবদিহির আওতায় আসা উচিত নয়?
মাদকসেবনের অভিযোগেও ক্ষোভ
এলাকার বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে, ওই ব্যক্তি অতীতে মাদক—বিশেষত ফেনসিডিল—সেবনের সাথে জড়িত ছিলেন বলে কথাবার্তা চলছিল। তার সমস্ত শরীর বাইপাস করা সত্তে ও তার প্রতিদিন ৪ থেকে ৫টা ফেনসিডিল সেবন করে
এই নিষিদ্ধ মাদক ফেনসিডিল কোথা কেকে আসে আর এর যোগান কে দেয়।
যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক , মামলা বা তদন্ত নেই।
স্থানীয়দের কথা—
“যদি অভিযোগ মিথ্যা হয়, তাহলে স্পষ্ট ব্যাখ্যা কোথায়?”
এলাকাবাসীর সুত্রে যানা যায় তার গড়ীর শোরুমে বসে থাকে একাধিক পুলিশের সোস
তারাই তাকে খবর দেয়
এবং পুলিশের অনেক তথ্য তাকে দেয় তার বদৌলতে সে পুলিশের অভিযানের হাত থেক রক্ষা পায়।
এবং সে লোকজন কে বলে বেরায় আমি ফ্যাসিস্ট সরকার এর নেতা হয়ে ও আমার নামে কোন মামলা নেই
আমি সআ কন্ট্রোল করে
এবং প্রশাসন কে ম্যানেজ করে চলি।
হঠাৎ সম্পদের পরিমাণ বাড়ায় নতুন প্রশ্ন
এক সময় ছোট স্টুডিি র ব্যবসা পরিচালনা করা এই ব্যক্তি এখন গাড়ি ব্যবসা, শোরুমসহ বড় আকারের বাণিজ্যে যুক্ত—এমনটাই অভিযোগকারীদের দাবি।
তাদের প্রশ্ন—
“স্বল্প সময়ে বিপুল সম্পদ—উৎস কী?”
এই প্রশ্নের জবাব এখনো কেউ দিতে পারেননি।
এত অভিযোগ—তবুও থানায় কোনো মামলা নেই?
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও সমালোচনা চললেও থানায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। সে খুনি হাসিনা ও ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় বিপুল পরিমানের পোস্টর করে থানার বড় পদ বাগিয়ে নিতে পোস্টর করেছে তা এলাকাবাসীর কাছে বিদ্যামান।
তারা ইঙ্গিত করছেন, রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে
খিলগাঁও থানা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মিঠুকে
তার সেলটার দাতা হিসেবে পরিচিত।
প্রশাসনের নীরবতা পরিস্থিতিকে জটিল করছে
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানার কর্মকর্তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক সংগঠন থেকেও কেউ প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে আগ্রহী নন।
ফলে এলাকায় জন্ম নিচ্ছে আরো নতুন প্রশ্ন, নতুন গুঞ্জন।
এলাকাবাসীর দাবি—“অভিযোগ সত্য-মিথ্যা যাই হোক, তদন্ত চাই”
স্থানীয়দের বক্তব্য—
“যদি অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন হয়, তা জানানো হোক।
যদি সত্য হয়, ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
নিরবতায় শুধু সন্দেহ বাড়ে।”
এলাকাবাসীর দাবি তার বিরুদ্ধে (দুদক) তদন্ত করে সাস্থীর আওতায় আনা হোক।
অনুসন্ধানী পব (১)
আর ৪ পব রিডি প্রকাশের অপেক্ষায়।
Leave a Reply