
বিস্ফোরক মামলার আসামি স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাজী রুবেলের খুটির জোর কোথায়
স্টাফ রিপিটার : শাহীন
১৯/১১/২৫
সম্পদ বৃদ্ধি ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা এবং খিলগাঁও থানা বিস্ফোরক মামলার ফ্যাসিস্ট খুনী হাসিনার কেস পাটনার কাজী রুবেল কি ভাবে এখন ও এলাকায় বাতাস লাগিয়ে বহল তবিয়তে ঘুড়ে বেরায় প্রসাশনের নাকের ডগায় এলাকাবাসী জানতে চায়
খিলগাঁও থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাজী রুবেলকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪ ও ৫ আগস্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু বাসিন্দা দাবি করেছেন, হামলার “হুকুমদাতা” হিসেবে তার নাম শোনা যায়, স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই বছরের ব্যবধানে তার আর্থিক অবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। আগে টিনশেড ঘর থেকে এখন অ্যাপার্টমেন্ট তৈরি রাতারাতি
কিভাবে তার অনুভূতিতে তৈরি হল জনমনে প্রশ্ন ? রামপুরা ও খিলগাঁও থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া মামলার খুনি শেখ হাসিনা র “সহযোগী হিসেবে নাম থাকা” সত্ত্বেও তিনি স্বাভাবিকভাবে এলাকায় অবস্থান করছেন মাথায় হেলমেট লাগিয়ে দিব্যি করে বেড়াচ্ছেন । কিছু বাসিন্দা দাবি করেছেন, তার আপন মামা জনাব হানিফ আলী বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি হওয়াতে মোবাইল হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যমে তাকে সেলটার দিয়ে যাচ্ছে একের পর এক একটি নির্দিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে “লেনদেনের কারণে” তিনি নির্বিঘ্নে চলাফেরা করছেন।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর নেতারা জানায় এত অপরাধী হয়েও এখন ও বহল তরিকায় কি ভাবে তার নিজ শ্বশুরবাড়ি খাইত পাড়ায় ঘুমায়,সাধারণ ছাত্র অনুসারীদের একটি অংশ বলছে, ঘটনাগুলো নিয়ে এলাকায় বিভ্রান্তি বাড়ছে এবং বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি। তাদের বক্তব্য
“অভিযোগের সত্যতা যাই হোক,
অভিযোগগুলো নিয়ে কাজী রুবেলের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য দেননি।
এছাড়া রামপুরা ও খিলগাঁও থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও ফোনে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। এলাকাবাসীর সূত্রে জানান যায় উক্ত থানার ওসি তদন্ত মোস্তফা , তিনি ডিবি হারুনের স্নেহধন্য এবং ডিবি হারুনের নাম ব্যবহার করে এ যাবৎ পর্যন্ত একই পদে চারটি থানায় ছিলেন থানাগুলো যথাক্রমে শাহবাগ থানা থেকে মুগদা থানা,মুগদা থানা থেকে যাত্রাবাড়ী থানা
আবার যাত্রাবাড়ী থানা থেকে খিলগাও থানায় একই পোস্টে কিভাবে বহাল থাকে এখন পযন্ত। এলাকাবাসীর জানতে চাই এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় ৪ ও ৫ ই আগস্ট ডিবি হারুনের নির্দেশে ওসি তদন্ত মোস্তফা বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়
এখনো খিলগাও থানায় সরকারের( ওসি তদন্ত মোস্তফা কিভাবে বহাল থাকে)
এলাকাবাসীর বক্তব্য থেকে আরো জানা যায় আওয়ামী লীগের দোসরদের টাকার বিনিময় ধরা হচ্ছে না মোটা অংকের টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এলাকায়।
এর সঠিক তদন্তের দাবী খিলগাও থানার স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন,নিরপেক্ষ তদন্ত হলে অভিযোগ–বিতর্কের অবসান ঘটবে এবং এলাকায় স্বচ্ছতা ফিরে আসবে।
আগামী সংখ্যায় চোখ রাখুন
Leave a Reply