
মিরসরাইয়ে মানববন্ধন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও চুরি ডাকাতি রোধে সোচ্চার সচেতন নাগরিক সমাজ
জামাল উদ্দিন
স্টাফ রিপোর্টার(চট্টগ্রাম)
মিরসরাইয়ে চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণসহ নানা অপকর্মে চলছে প্রত্যাহ। এতে প্রায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। জনপ্রতিনিধি না থাকায় প্রশাসনিক কর্মে কিছুটা হতাশ। সব্য নমিনেশন প্রার্থীগণ বেশ কয়েকবার কথা বলেন প্রশাসনের সাথে।কিন্তু পরিস্থিতি কোনোভাবেই যেন শান্ত নয়। আসামী ধরা হচ্ছে কিন্তু অপরাধ কমছে না। এসব রোধ করে অপরাধ মুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে মানববন্ধন করেন মিরসরাই সচেতন নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন।
চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায় মিরসরাই সদরে স্কুল মার্কেট সংলগ্ন ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে আজ ২৯/১১/২০২৫ রোজ শনিবার মিরসরাই সচেতন নাগরিক সমাজ ও বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্যানার হাতে মিরসরাই উপজেলার ক্রমবর্ধমান চুরি, ডাকাতি রোধকরে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্বাভাবিক করার দাবিতে মানববন্ধন করেন।
চুরি, ডাকাতি আর চাঁদাবাজি যেন নিত্য সময়ের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে, আতংকে রাত পারছে নিরীহ গ্রামবাসী। রাত গভির হতেই ভয়ে কেঁপে উঠে ডাকাত দলের আক্রমনে।
এসব ঘটনা প্রায় হরহামেষায় ঘটছে। আজ এই গ্রামে তো কাল রাতে অন্য গ্রামে এমন চুরির ঘটনা ঘটছে। প্রতিদিন সকালে মানুষের ঘুম ভাঙ্গে এসব অরাজকতার তথ্য দিয়ে। এসবের নিস্তার কখন হবে জন মানুষের মনে প্রশ্ন সর্বত্রই।
সকল দলের নব নমিনেশন প্রার্থীদের নিয়ে মিরসরাই প্রেস ক্লাবের উদ্যাগে আয়োজন করেন এক জরুরী বৈঠক, সেখানেও আলোচনা করেন কিভাবে এসব অপরাধ নিধন করা যায়। যারা করছে তারাই বা কার ইন্ধনে বা আশ্রয়ের জোরে এসব করছে?
এসব প্রশ্নের উত্তরে তারা নিজ নিজ মন্তব্য প্রকাশ করেন এবং বলেন অপরাধ দমনে তাঁরা সর্বত্রই সহযোগিতা করবেন। অপরাধি কোনো দলের হতে পারে না। সেই অপরাধি হিসেবেই চিহ্নত হবেন তার তাকে উপযুক্ত শাস্তি পেতে হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতেও প্রশাসনের একান্ত আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। যাতে অপরাধ দমন করছে বুঝাতে বা আসামী ধরছেন এমন বুঝাতে কোনো নিরীহ মানুষ হয়রানির স্বিকার না হয়।
যাদের ডাকাত বা চোর বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আইনের আওতায় আনছেন তাদের কাছ থেকে কোনো ডাকাতি করা বা লুট করা জিনিস উদ্ধার করতে পারেনি তাহলে আসলেই কি তারা আসামী? যদি আসামী হয় তবে কোনো জিনিস উদ্ধার করা হয়নি কেন এমন প্রশ্নোও উঠে আসে জরুরি বৈঠকে।
এ ব্যাপারে মিরসরাই ওসি আতিকুর রহমান বলেন প্রশাসন সবসময়ই সোচ্চার এবং রাতে পাহারা সহ সকল কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত রেখেছেন। পুলিশ প্রায় আসামী ধরেই চালান করে দিচ্ছেন হাজতে। এলাকার মানুষ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোর আন্তরিক সহোযোগিতা পেলে প্রশাসন আরো সুদৃঢ় কাজ করতে পারবে বলেও মন্তব্য করেন পুলিশ প্রশাসন।
Leave a Reply