1. shahinsalman99@gmail.com : Dhakar somoy : Dhakar somoy
  2. bditwork247@gmail.com : admin : Badhon Sarkar
  3. thedhakarsomoy@gmail.com : thedhakarsomoy :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

বরগুনায় বসতভিটা দখল, পানের বরজ ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ আপন ভাই–ভাতিজাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুতির কথা জানাল ভুক্তভোগী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ০ Time View

বরগুনায় বসতভিটা দখল, পানের বরজ ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ আপন ভাই–ভাতিজাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুতির কথা জানাল ভুক্তভোগী

বরগুনা প্রতিনিধি:

বরগুনা সদর উপজেলার  গৌরিচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বসতভিটা দখলের চেষ্টা, পানের বরজ ভাঙচুর ও দফায় দফায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে আপন ভাই ও ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগ করেছেন খেজুরতলা  গ্রামের মৃত যোগেশ হাওলাদারের ছেলে নিমাই হাওলাদার (৫২)।
ভুক্তভোগী নিমাই হাওলাদার জানান, তারা ছয় ভাই ও দুই বোন। জীবিত অবস্থায় তার বাবা যোগেশ হাওলাদার পারিবারিক জমাজমি ভাগ করে দেন এবং সেই অনুযায়ী সবাই নিজ নিজ অংশে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেন। তবে বাবার মৃত্যুর পর থেকেই তার ওপর অন্য ভাইদের জোর-জবরদস্তি শুরু হয়।
নিমাই হাওলাদার বলেন, “বাবা মারা যাওয়ার পর আমার ভাইয়েরা নতুন করে জমি ভাগের দাবি তোলে। পরে গ্রাম্য সালিশে ছয় ভাই ও দুই বোনের স্বামীদের উপস্থিতিতে প্রায় ১৫ বছর আগে আবারও জমি ভাগ হয়। সেই অনুযায়ী আমি ঘর তুলেছি, পানের বরজ দিয়েছি। কিন্তু এখন তারা সবাই মিলে আমার অংশের জমি জোর করে দখল করতে চাইছে।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার আপন ভাই সতিন্দ্র হাওলাদার এর বড় ছেলে কালা হাওলাদার, একাধিকবার তার ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলেছে ও পানের বরজ ধ্বংস করেছে। এ পর্যন্ত অন্তত তিন দফা তাকে ও তার স্ত্রীকে মারধর করা হয়েছে। একবার গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাও নিতে হয়েছে।
নিমাই হাওলাদারের ভাষ্য অনুযায়ী, থানায় অভিযোগ করার কথা জানালে অভিযুক্তরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এমনকি বলা হয়, পুলিশে গেলে তাকে আর বাড়িতে থাকতে দেওয়া হবে না। বর্তমানে তিনি ও তার স্ত্রী চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন এবং রাতে নিজ বাড়িতে থাকতে পারছেন না।
তিনি বলেন, “আমার কোনো ছেলে নেই, দুই মেয়ে বিবাহ দিয়েছি। অন্য ভাইদের প্রত্যেকের দুই করে ছেলে আছে। তারা এই সুযোগে আমার সবকিছু কেড়ে নিতে চাইছে। এখন যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলতে পারে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সালিশের চেষ্টা করেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান সালিশে বসার আগ্রহ প্রকাশ করলেও অভিযুক্তরা তাতে অংশ নিতে রাজি হননি।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তারা এই নির্যাতনের ঘটনা দেখে আসছেন। কিন্তু অভিযুক্তদের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
এদিকে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এ প্রসঙ্গে বরগুনা সদর থানার এক কর্মকর্তা জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভুক্তভোগী পরিবারকে দ্রুত থানায় অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026
Design By BDit.com.bd