
১৯৯তম শোলাকিয়া ঈদ জামাত: সমন্বিত নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় জোরদার
মোঃজোনায়েদ হোসেন জুয়েল
ষ্ট্যাফ রিপোর্টার,
কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ-এ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের ১৯৯তম বৃহৎ জামাত সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা।
সভায় ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যসেবা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি নারী, প্রবীণ ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মুসল্লিদের জন্য পৃথক ও সহায়ক ব্যবস্থার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিপুল সংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি বিবেচনায় বহুস্তর নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ, ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত রাখা এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হবে।
শহরে যানজট এড়াতে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। মুসল্লিদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে নির্ধারিত রুট ও পার্কিং সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, শোলাকিয়ার ঈদ জামাত কিশোরগঞ্জের ধর্মীয় ঐতিহ্যের গর্বিত অংশ। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ আয়োজনকে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন বলেন, জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
সভা শেষে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, দেশের অন্যতম বৃহৎ ঈদ জামাত হিসেবে পরিচিত শোলাকিয়ার এ আয়োজনটি এ বছর ১৯৯তম জামাত হিসেবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ
Leave a Reply